Blog

গরুর মাংস!! জেনে নিন এর সুফল ও কুফল।

গরুর মাংস অতি শক্তিশালী ও পুষ্টিকর একটি খাবার। গরুর মাংস অনেক স্বাদের এবং অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। গরুর মাংস স্বাদে অতুলনীয় এবং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে যে কোনো খাবারই সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। এই খাদ্যের মধ্যে মজুদ পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। তবে পুষ্টি উপাদান বেশি হওয়ার ফলে অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এবং বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ চিহ্নিত হওয়ায় খাবারটি প্রিয় হলেও অনেকে এড়িয়েও চলেন। তাই চলুন, জেনে নিই এই খাদ্যের সুফল ও কুফলগুলো।সুফলঃ   পুষ্টি :  গরুর মাংস প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রাণী থেকে সংগৃহীত হয় বলে এটি প্রাণিজ প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গরুর মাংসে বিদ্যমান।প্রোটিন : গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। মাংস ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর মাংসের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও মাংসপেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়।ফ্যাট : গরুর মাংসে অনেক সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। ফ্যাটের উপস্থিতির জন্য গরুর মাংস অনেক মজাদার হয়ে থাকে। কচি মাংসে এই ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ফ্যাট রয়েছে ২.৬ গ্রাম।মিনারেলস : এক টুকরো গরুর মাংসে অনেক ধরনের মিনারেল পাওয়া যায়। বিশেষ করে জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও কপার। এই মিনারেলগুলো শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে। জিংক আমাদের শরীরের কোষ রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। বলা হয় তিন আউন্স পরিমাণ গরুর মাংস দৈনিক জিংকের ৩৯% চাহিদা পূরণ করে থাকে।জিংক : যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফসফরাস : যা মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য জরুরি। আয়রন : যা রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ এবং শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে।ভিটামিন : গরুর মাংসে অনেক রকম ভিটামিন থাকে, বিশেষ করে বি১২ বি৬ রিবোফ্ল্যাবিন ও বি১২-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের মতে, দৈনিক ২.৪ মিলিগ্রাম বি১২ লাগে। তিন আউন্স গরুর মাংস বি১২-এর দৈনিক ৩৭% চাহিদা পূরণ করতে পারে। তিন আউন্স গরুর মাংস ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, জিংক ও সেলেনিয়ামের খুবই ভালো উৎস। তিন আউন্স [...]

Read more...

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ সমূহ!! যা জেনে রাখা জরুরী।

স্তন ক্যান্সার সারা বিশ্বে মহিলাদের ক্যান্সার জনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারন। বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়,  “ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হসপিটাল ২০০৫-২০০৭” এর তথ্যমতে বাংলাদেশে মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে মৃত্যু হার ২৫.৬%, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে এ ক্যান্সারে আক্রান্তের হার প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আশার কথা হল, প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরন এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রায় ৯০% রোগী ৫ বৎসর বা এরও অধিক সময় বেঁচে থাকতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার সনাক্তকরনের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা এবং জেনে রাখা প্রয়োজন এর লক্ষণ সমূহ।    স্তন ক্যান্সারের লক্ষণসমূহঃ১. স্তন কিংবা বগলে চাকা বা দলা অনুভব করা। ঋতুচক্রের সময় অনেক মহিলার ক্ষেত্রে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং ঋতুচক্র পরবর্তী সময়ে তা চলেও যায়, এতে ভয়ের কিছু নেই তবে এই লক্ষণ স্থায়ী হলে তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। স্তন ক্যান্সার জনিত এ ধরনের চাকা বা দলায় সাধারনত কোন ব্যথা অনুভূত হয় না তবে এক ধরনের খোঁচা লাগে এমন অনুভূতি হতে পারে।২. হাতের নিচে অর্থাৎ বগলের কোথাও নির্দিষ্ট কোন কারন ছাড়াই ফুলে ওঠা।   ৩. স্তনের কোথাও লালচে ভাব কিংবা ব্যথা অনুভব করা।৪. স্তনের কোন অংশ অস্বাভাবিক ভাবে দেবে যাওয়া।৫. স্তনের আকার, রঙ, ত্বকের মসৃণতা কিংবা তাপমাত্রায় তারতম্য পরিলক্ষিত হওয়া। স্তনের ত্বকে লালচে আভা এবং কমলা লেবুর খোসার মত অমসৃণতা দেখা দিলে তা এডভান্সড ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের পরামর্ষ নেয়া প্রয়োজন।   ৬. স্তনবৃন্তে (Nipple) বিশেষ কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হওয়া, যেমন- স্তনবৃন্ত দেবে যাওয়া, চুলকানি, জ্বালা পোড়া, খুস্কি অথবা ক্ষত কিংবা ঘা এর উপস্থিতি।৭. স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ। এ ক্ষেত্রে স্তনবৃন্ত থেকে পরিস্কার, রক্ত যুক্ত কিংবা অন্ন কোন রঙের পাতলা অথবা আঠালো তরল নিঃসরণ হতে পারে।৮. চামড়ার নিচে কোন ধরনের গুটি অনুভব করা।৯. স্তনে এমন যেকোনো ধরনের পরিবর্তন যা দৃশ্যতই অস্বাভাবিক।

Read more...

উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয়

আপনার উচ্চরক্তচাপ আছে কি না তা জানার একমাত্র উপায় হল রক্তচাপ (ঊচ্চ রক্তচাপ) পরীক্ষা করা। এটি আপনার ডাক্তার আপনার জন্য করে দিতে পারেন এবং আপনি ব্লাড প্রেসার মেশিনএর মাধ্যমে করতে পারেন।৪০ বছরের উপরের স্বাস্থ্যবান প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৫ বছরে অন্তত একবার করে রক্তচাপ পরিমাপ করা উচিত।যদি আপনার উচ্চরক্ত চাপের ঝুকি থাকে তাহলে আপনার উচিত প্রতি বছরে অন্তত একবার করে রক্তচাপ পরিমাপ করে দেখা। ডাক্তার দিয়ে রক্তচাপ চেক করানো : ব্লাড প্রেসার মেশিন এমন  একটি যন্ত্র যার মধ্যে একটি স্টেথোস্কোপ, আর্ম কাফ, ডায়াল, পাম্প এবং একটি ভাল্ব থাকে। কাফটি আপনার বাহুর চার পাশে লাগানো হবে এবং ততক্ষন ফুলানো হবে যতক্ষন না আপনার ওই স্থানের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়। এর পর চাপ আসতে আসতে কমানো হয় আর স্টেথোস্কোপ দিয়ে আপনার পালস (স্পন্দন) দেখা হয়।কাফ এর প্রেসার ছাড়ার সময় আপনার পালস (স্পন্দন)  কি রকম তা শোনা হয় এবং এর রিডিং একটি মারকারী স্কেলে নেয়া হয়, যা দ্বারা ব্লাড প্রেসার এর সঠিক মাত্রা নির্নয় করা যায়। ব্লাড প্রেসার মাপার আগে আপনার ৫ মিনিটের বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রস্রাব করে মুত্র থলি খালি রাখতে হবে। একটি নিখুত রিডিং পেতে হলে ব্লাড প্রেসার মাপার সময় আপনাকে বসে থাকতে হবে এবং কোন কথা বলা যাবে না। ব্লাড প্রেসারের রিডিং যদি একবার উচ্চরক্ত চাপ পাওয়া যায়, তার মানে এই না যে আপনার উচ্চরক্ত চাপ আছে। সারাদিনে রক্তচাপ অনেকবার উঠানামা করে।অনেক লোক মেডিকেল বা ক্লিনিকে গেলে অথবা ডাক্তারদের দেখলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে , যার কারনেও রক্তচাপ বাড়তে পারে।এটাকে হোয়াইট কোট হাইপারটেনশান (ডাক্তারের সাদা এপ্রন দেখে যে উচ্চরক্তচাপ হয়) বলে। তাই আপনাকে বাসার মধ্যে সারাদিনে কয়েকবার ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করতে বলতে পারে। এ থেকে নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার কি উচ্চরক্তচাপ সবসময় থাকে কিনা।আপনার অন্যান কোন সমস্যা আছে কিনা যেমনঃ- কিডনী রোগ, যার কারনে ব্লাড প্রেসার বাড়ছে তা জানার জন্য আপনাকে কিছু রক্ত বা মুত্র পরীক্ষা করে দেখতে হতে পারে বাসাতে পরীক্ষা করার যন্ত্র: বহনযোগ্য ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্র যা আপনার বাসাতে বা হাটাচলার সময় প্রেসার মাপে তা আপনার প্রেসার রেকর্ড করতে সাহায্য করতে পারে। তবে আপনি যদি ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার এর মেশিন ব্যাবহার করেন তাহলে তিনটি ব্লাড প্রেসার এর বিডিং নিয়ে তার গড় রেকর্ড করা [...]

Read more...

নখের যত্নে ঘরোয়া কিছু টিপস

আমাদের হাত ও পায়ের সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ নখ। সুন্দর নখ হাতকে যেমন করে আকর্ষনীয় তেমন পা’কে করে মনকাড়া। পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। ঝাঁ তকতকে, ঝকঝকে, আকর্ষনীয়, সুন্দর নখ কার না পছন্দ। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া। সময় কিংবা অর্থের কারণে যারা পার্লারে গিয়ে নখের পরিচর্চা করতে পারেন না তারা ঘরে বসেই নিতে পারেন যত্ন।  তাই আসুন জেনে নেই নখের যত্নের কিছু করণীয়।বাড়িতে যেসব উপকরণ আছে সেসব উপকরণ দিয়ে সেরে নিতে পারেন মিনিকিওর পেডিকিওর। প্রথমে আপনি হালকা কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ, সামান্য শ্যাম্পু, ও লেবুর রস দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন হাত ও পায়ের নখ। এরপর যেকোনো ব্রাশ দিয়ে নখ গুলো ঘুষে নিন। ঠাণ্ডা  পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর নেইল কাটার দিয়ে আপনার পছন্দ মত সাইজ করে নখ কেটে নিন। তবে নখ সমান করে কাটুন কারন উচু নিচু করে কাটা নখ সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এরপর যেকোনো ময়শ্চারাইজিং লোশন দিয়ে ম্যাসাস করুন ৫ মিনিট । এতে আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এক সপ্তাহের বেশি নখে নেইল পলিস রাখবেন না।নেইল পলিস উঠাতে কোন ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না। সেক্ষেত্রে রিমুভার ব্যবহার করেন। অন্তত ৩-৪ দিন ব্যবধানে নখে নেইল পলিস ব্যবহার করুন। নেইল পলিস ব্যবহারে সচেতন হউন।অতিরিক্ত নেইল পলিস ও রিমুভার আপনার নখ গুলো কে ড্রাই করে এবং নখের প্রাকৃতিক কালার নষ্ট করে।রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখে অলিভ অয়েল ও ভেসলিন লাগিয়ে ঘুমান। এতে আপনার নখ শক্ত হবে এবং নখের হলুদ ভাব দূর হবে। দাঁত দিয়ে অনেকের নখ কাটার অভ্যাস থাকে। এটি অবশ্যই ত্যাগ করুন। অনেক সময় সবজি কাটতে হাতে কালো দাগ হয়। সেক্ষেত্রে কাটা লেবু ঘুসুন , এমনি পরিষ্কার হবে। নখ কে সুস্থ রাখতে ভেতরের পুষ্টি খুব দরকার । সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন , আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গ সুস্থ রাখার জন্য পযাপ্ত ঘুম অপরিহার্য।আমরা আজকাল [...]

Read more...

হাঁপানি বা অ্যাজমাঃ প্রাথমিক চিকিৎসা

দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ । ১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং ২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness) পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু । ৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় । অ্যাজমা রোগের লক্ষণ চেনার উপায় । – শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি । – শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ । – হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা । – ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট । – ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট । – বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট ।চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয় । রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে । এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয় । এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পরে । বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে । কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে । ১. এলাজেন পরিহার : অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয় । ২. ওষুধপত্র : নানা ধরনের হাঁপানির ওষুধ আছে । প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন । সাধারণত দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয় । ক) শ্বাসনালির সঙ্কোচন বন্ধ করতে ওষুধ ব্যবহার করা, যেমন ব্রঙ্কোডাইলেটর, নালবিউটামল, থিউফাইলিন, ব্যামবুটারল খ) [...]

Read more...

শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক দূর করুন সহজ ১০ টি উপায়ে!!

ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগগুলো দেখা যায়। মূলত এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান?১.  গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ২.  ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে। ৩.  প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন। ৪.  শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।৫.  ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে। ৬.  চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। ৭.  এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।৮.  ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৯.  এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর [...]

Read more...

মেকাপ তোলার সহজ পদ্ধতি!!

আগের রাতে পার্টি ছিলো। পার্টিতে অসাধারণ সেজে আপনি সবার নজর কেড়েছেন, অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন। তাই আনন্দচিত্তে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়লেন। কিন্তু পরদিন সকালে আয়নার সামনে দাড়িয়ে আপনার আনন্দ উধাও তো হলই, মনটাও খারাপ হয়ে গেল। কারন, মুখভর্তি ব্রণ উঠেছে। অনেকেই পার্টি মেকাপ নেয়ার পর এই ধরণের সমস্যায় ভোগেন। । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! মুখ ধোয়ার কথা আবার বলে দিতে …হয় না কি! তাদের জন্য বলছি আমরা হয়তো ঠিকই পার্টি থেকে ফিরে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুই, কিন্তু মেকাপ তোলার সঠিক নিয়ম না জানার জন্যে বিরক্তিকর ব্রণ যন্ত্রণায় পড়ি। চলুন জেনে নিই পার্টি মেকাপ তোলার সঠিক পদ্ধতিটি।প্রথম ধাপে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। অনেকেই প্রথমে মেকাপ রিমুভার দিয়ে মেকাপ তোলার চেষ্টা করেন।কিন্তু মেকাপ রিমুভার ব্যাবহারের আগেই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নেয়াটাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। দ্বিতীয় ধাপে তুলো তে মেকাপ রিমুভিং লোশন নিয়ে ধীরে ধীরে মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর আর এক টুকরো তুলো দিয়ে মাসাজ করে করে মুখের মেকাপ তুলে ফেলুন। চোখের মেকাপ তোলার জন্য যদি হাতের কাছে আলাদা করে আই মেকাপ রিমুভার না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ভ্যাসলিন বা অন্য কোন পেট্রোলিয়াম জেলি তুলোতে নিয়ে চোখের মেকাপ তুলে নিতে পারেন।মেকাপ তোলার পর ত্বকে টোনার লাগান। টোনার ব্যাবহারের সময় লক্ষ রাখবেন টোনারটি যাতে অবশ্যই আপনার ত্বকের উপযোগী হয়। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাদের জন্য টোনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতের কাছে টোনার না থাকলে এর পরিবর্তে শসার রসে মধু মিশিয়েও ব্যাবহার করতে পারেন। এবার চোখের চারপাশে আইক্রিম মাসাজ করে নিন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ত্বককে কালো ছোপ এবং ভাঁজ পড়ে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করবে।সবশেষে আপনার মুখে ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মাসাজ করুন। পার্টি থেকে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে এসে ঘুমোতে যাবার আগে অতি অবশ্যই আপনার মুখ ভালোভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করতে কিছুতেই ভুলে যাবেন না। অনেক সময় আমরা বাইরে থেকে ফিরে অলসতা করি অথবা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি একটু সচেতন হই তাহলেই অবাঞ্ছিত ব্রণের হাত থেকে মুখের ত্বককে খুব সহজেই রক্ষা করতে পারি।

Read more...

সহজে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো খাবারগুলো কি জেনেনিন!!

ওজন কমানোর খাবারগুলো আমাদের পেট ভরে রাখে, ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমে যায়। এই খাবারগুলো পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়ার গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়, ফলে শরীরে জমা ক্যালোরিও চটপট পুড়িয়ে ফেলা যায় এবং আমাদের শরীরে ‘চর্বি’(Fat) জমার সুযোগ থাকে না। ওজণ কমানো ছাড়াও, এই খাবারগুলো খুবই পুষ্টিকর এবং আপনার শরীরের ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। আপনার শরীর ও মনকে সুস্থ এবং চনমনে রাখে। তাছাড়াও, আপনার ত্বকে আরো জ্যোতি আনে, চুলের গোড়া শক্ত করে। তবে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার কোনগুলো! জেনে নেওয়ার জন্য পড়তে থাকুন।ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার নাশপাতি আপনি কি জানেন যে নাশপাতিও আপনার Weight কমিয়ে দিতে পারে? নাশপাতিতে আছে ৬ গ্রাম সলিউবল ফাইবার, যা আপনার কোলেস্টেরল কমায়এবং আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। একটি নাশপাতিতে থাকে মোটে ১০০ ক্যালোরি, যা কিনা অধিকাংশ ফলেরই ক্যালোরির মাত্রার থেকে কম। মাঠাতোলা দই মাঠাতোলা দই এবং দুধ খেয়েও আপনি আপনার Weight কমাতে পারেন। এই খাবারগুলোও ওজণ কমানোর দাওয়াই হিসেবে তেমন গুরুত্ব পায় না। দইয়ে উপস্থিত ‘উপকারী’(Useful) ব্যাক্টেরিয়া সহজে ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়াও দইয়ে থাকে হজমে সহায়ক প্রো্টিন যা তাড়াতাড়ি আপনার শরীরের ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে।ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্রাউন রাইস বা লাল চাল ওজন কমাতে সাহায্য করে, কারণ এতে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা কম থাকে, অথচ ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস আ পনার পেট ভরিয়ে রাখে আর সেই কারণে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায় না, ফলে Weight কমতে থাকে। কুমড়ো কুমড়োতে ক্যালোরির মাত্রা থাকে খুবই কম অথচ কুমড়োর পুষ্টিগুণ খুবই বেশি। কুমড়োয় ফাইবারের মাত্রাও বেশ বেশি যা কিনা Weight কমানোর জন্য সহায়ক।কুমড়ো খেলে অনেকক্ষণ পেটভরা থাকে এবং কুমড়োয় বিটাক্যারোটিনও(এক ধরণের ভিটামিন এ) বেশি মাত্রায় থাকে। ‘ওজন’(Weight) কমানোর জন্য দরকারী এই খাবারটিকেও আমরা অবহেলা করে থাকি।আপেল ওজণ কমানোর জন্য খাবারগুলোর মধ্যে সেরা হল আপেল। একটি আপেল খাওয়ার পর অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরা থাকে এবং আরো বেশি খাওয়ার লোভ এড়ানো সহজ হয়। আপেল আপনার পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়ে হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। আপেল ‘ভিটামিন’(Vitamins) সমৃদ্ধ এবং ফাইবারের মাত্রাও বেশি। তাই, খোশাসুদ্ধু আপেল খান Weight কমানোর জন্য। দারুচিনি এটি এমন একটি মসলা যা [...]

Read more...

চিকনগুনিয়ার ভয়াবহতা!! প্রতিকার ও প্রতিরোধ।

চিকনগুনিয়া মশাবাহিত জ্বর। ডেঙ্গু জ্বরের মতো এটারও বাহক এডিস মশা। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গুর মত চিকনগুনিয়া প্রাণঘাতি নয়। তাই এ নিয়ে ভীতির চেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা। আপনার চিকনগুনিয়া হয়েছে কি না তা আগে নিশ্চিত হতে হবে। তারপর এর জরুরি চিকিৎসা করা হতে। তবে চিকনগুনিয়া রোগ হলে চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া না হয়, সেজন্য বিশেষ পরামর্শ চিকিৎসকদের। তবে তার আগে চলুন জেনে নিই রোগটি সম্পর্কে।চিকনগুনিয়া কী? চিকনগুনিয়া প্রথম দেখা যায় আফ্রিকান দেশ তানজানিয়াতে। তাই এই রোগের নাম ‘চিকনগুনিয়া’। শব্দটিও এসেছে তানজানিয়ার ভাষা থেকে। ‘চিকনগুনিয়া’ শব্দটির অর্থ বেঁকে যাওয়া। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বেঁকে যাওয়ার কারণেই এ রকম নামকরণ। এর ভাইরাসটি মূলত আফ্রিকান হলেও বাংলাদেশে চিকনগুনিয়া আসে ভারতের কলকাতা থেকে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশে ডেঙ্গু (এডিস মশা) আছে। এর বাহক Adese Aegypti (এডিস ইজিপট) মশাই চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাসের বাহক। তাই বাংলাদেশে ডেঙ্গুর নির্যাস রয়েই গেছে। বৃষ্টির পানি যেখানে জমা হয় সেখানে ডিম ফুটে বাচ্চা দিচ্ছে এই মশাগুলো। তবে চিকনগুনিয়া ভাইরাসটি ভারতের কলকাতা থেকে এদেশে এসেছে।যেভাবে আক্রান্ত চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে যদি অন্য কোনো মশা কামড়ায়, তবে সেই মশার শরীরে চিকনগুনিয়ার ভাইরাস প্রবেশ করবে। এবার সেই মশা যদি অন্য কোনো ব্যক্তিকে কামড়ায় তবে সেই ব্যক্তিরও চিকনগুনিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে শতভাগ। এভাবে আর দশটা মশা আক্রান্ত ব্যক্তিদের কামড়ালে সেই দশটা মশা থেকে চারদিকে মানুষ ও মশাগুলোর শরীরে চিকনগুনিয়া ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এটাই ভাইরাল। চিকনগুনিয়ার লক্ষণ ১. ভীষণ জ্বর হয়, যেটা ১০৪ ডিগ্রি হবে। ২. শরীরের প্রত্যেক জোড়ায় জোড়ায় অসহনীয় ব্যথা। হাত ও পা বেঁকে যায়। ব্যথার কারণে হাতের আঙুল, পায়ের আঙুল ও জোড়া ফুলে যায়। ৩. হাঁটু ও পায়ের পাতায় অসহ্য ব্যথার কারণে হাঁটা খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয়। ৪. সারা গায়ে একেবারে পা থেকে মাথা পর্যন্ত লাল লাল দাগ দেখা যায়। এগুলো প্রথম দিকে খুব চুলকায়। ৫. অনেকের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডে ব্যথা হতে পারে। ব্যথার কারণে বিছানা থেকে ওঠা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।চিকনগুনিয়ার চিকিৎসা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁটা চলা একেবারেই নিষেধ। তবে বিশেষ প্রয়োজনে হাঁটতে হলেও সিঁড়ি বেয়ে উঠা-নামা সম্পূর্ণ নিষেধ। রিকশা বা গাড়িতে উঠতে হলে ফুটপাতের মতো উঁচু [...]

Read more...

সুন্দর ঠোঁটের সাজসজ্জা ও পরিচর্যা!!

ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখার ঠিক বাইরে আউট লাইন এঁকে নিবেন লিপ লাইনার বা লিপ ব্রাশের সাহায্যে। এখন গাঢ় রঙের লিপস্টিক আউট লাইন বরাবর সারা ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট অনেক ভরাট দেখাবে। সবশেষে লিপগ্লস ব্যবহার করে ঠোঁট বাড়তি চক্চকে করে নিন। পাতলা ছোট ঠোঁট ছোট-পাতলা ঠোঁট ভরাট ও বড় দেখানোর জন্য ঠোঁটের আসল সীমারেখা সামান্য বাড়িয়ে আউটলাইন এঁকে নিন। এবার গাড় বা হালকা রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করে নিন। দুই কোণ চাপা ভরাট ঠোঁট যাদের ঠোঁট এ ধরনের তারা আউট লাইন আঁকার সময় ঠোঁটের দুই কোণ বাড়িয়ে মানানসই আউট লাইন আঁকবেন। এ ধরনের ঠোঁটে সব সময় হালকা রঙের লিপস্টিক লাগালে ভাললাগে।ফোলা ঠোঁট যাদের ঠোঁট একটু ফোলা ধরনের তারা ঠোঁট মানানসই করার জন্য ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখা বরাবর ম্যাচিং শেড ব্যবহার করে আউট লাইন আঁকুন। এবার ওপরের ঠোঁট ও নিচের ঠোঁট ভরাট করুন যথাক্রমে হালকা ও গাঢ় রঙের লিপস্টিক দিয়ে। ফোলা ঠোঁট হলে লিপগ্লস না লাগানোই ভালো। তবে ফোলা ঠোঁট যদি মুখশ্রীর সাথে মানান সই হয় তা হলে শুধু মাত্র নিচের ঠোঁটে লিপগ্লস লাগাতে পারেন। ভরাট ঠোঁট ভরাট ঠোঁটের ক্ষেত্রে প্রকৃত সীমারেখা বরাবর বা সামান্য কমিয়ে আউট লাইন আঁকুন। ঠোঁটের দু’কোণায় আউটলাইন মেলাবেন না। সামান্য ফাঁক রাখবেন। এবার গাঢ় বা মাঝারি রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করুন। ভরাট ঠোঁটে কখনো লিপগ্লস ব্যবহার করবেন না।প্রসারিত ঠোঁট প্রসারিত ঠোঁটের জন্য আউটলাইন আঁকুন হালকা রঙের লিপস্টিক লিপ-ব্রাশে নিয়ে বা হালকা রঙের লিপলাইনার ব্যবহার করে। দুই কোণায় সামান্য ফাঁক রাখবেন। যে রঙের লিপস্টিক দিয়েই ঠোঁট ভরাট করুন না কেন, তা ঠোঁটের মাঝের অংশে লাগান গভীর করে। আর দুই পাশে লাগান অপেক্ষাকৃত হালকা করে। এই হলো মোটামুটি ঠোঁটের মেকাপ। শেষ করার আগে যে কথাটি কথা না বললেই নয়, তা হলো লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কোনো ব্র্যান্ডেরই ব্যবহার করেন না কেন- এটি যেন আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল, চকচকে ও চেহারার সাথে মানানসই করে তুলে সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন।  ঠোঁটের পরিচর্যা  ঠোঁট হবে আকর্ষণীয়, এটাই সবার কাম্য। কিন্তু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় চামড়া ওঠা, ফাটাভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনও তেলগ্রন্থি’ থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা [...]

Read more...
Translate »