Beauty Blog

চুল ঘনকালো ও লম্বা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে!

বেশ কয়েক বছর আগেও দেখা যেত মেয়েরা এই মোটা বেণী করে বাইরে যাচ্ছে। আর আমাদের মা খালাদের তো সব সময়ই দেখে এসেছি লম্বা বেণীতে বা বিশাল খোঁপায় নিজেদের সাজাতে। কিন্তু সময় পাল্টেছে। চারিদিকের দূষণ, ব্যস্ত জীবন যাত্রায় যত্নের অভাব, নানা রকম চুলের সাজ করতে গিয়ে কেমিক্যালের ব্যবহার করতে করতে অনেকেই যে সমস্যায় পড়েছেন চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। আগে হয়তো ঠিকই ঘন চুল ছিল, কিন্তু এখন আর নেই। অনেকের আবার কোন অসুস্থতার কারণে চুল পড়ে পাতলা হয়ে গিয়েছে। তাই চুল সাজাতে গেলেই এখন দরকার পড়ে আর্টিফিশিয়াল হেয়ার এর। অথবা কেউ কেউ আবার অনেক টাকা খরচ করে দামি শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ট্রাই করেই যাচ্ছেন, কিন্তু আশানুরুপ ফল পাচ্ছেন না। আজ তাই বলব বেশ কিছু জিনিসের কথা যেগুলো রয়েছে আপনার কাছেই, দাম ও সাধ্যের নাগালে সেই সাথে নেই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।   (১) অ্যালোভেরা অ্যালোভেরার গুণের নেই কোন শেষ। চুলের যত্নে এটি অনেক বেশি কার্যকরী। ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি আপনাকে ফিরিয়ে দেবে ঘন ও উজ্জল চুল। এটি চুলের ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ময়েশ্চার যোগায়। অ্যালোভেরার জেল বের করে সরাসরি চুলে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা সময় দিন শুকাতে। তারপরে শ্যাম্পু করে নিন। এটি হেয়ার ফল কন্ট্রোল করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে। সেই সাথে চুল ও হয়ে উঠবে উজ্জ্বল। নিয়মিত করলে লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়বে অল্প কিছু দিনেই। (২) ডিম চুল ঘন করার পাশাপাশি আপনি যদি চুল লম্বা করতে চান তাহলে চুলের প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন ডিম। ডিমের এই প্যাক প্রোটিন ট্রিটমেনট হিসেবে কাজ করবে ও চুল করবে শক্ত। চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী একটি বা দুটি ডিম ভেঙে ফেটে নিয়ে চুলে লাগান। ডিমের গন্ধ বেশি খারাপ লাগলে, সাথে কোন একটা সুগন্ধি তেল মেশাতে পারেন। পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভালোভাবে শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ২ বার করলে মাস খানেকের মধ্যেই চুলে লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে। (৩) মেথি চুলের যত্নে মেথির ব্যবহার অনেক পুরনো। রান্না ঘরেই পেয়ে যাবেন চুলের যত্নের এই অসাধারণ উপকরণ। মেথি একরাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ভালোভাবে বেটে নিয়ে চুলের গোঁড়ায় লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টার মত। তারপরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ঘন তো করবেই [...]

Read more...

ভালোবাসার সুখগুলো

আইরিশ অভিনেত্রী ম্যালানি ক্লার্ক বলেছিলেন, “আমরা কোনোভাবেই ভালোবাসার ওপর মূল্য নির্ধারণ করতে পারি না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য দরকারি সব উপকরণের ওপর মূল্য নির্ধারণ করতেই হবে”। ভালোবাসা অনেক পবিত্র একটি অনুভূতি। স্বার্থসিদ্ধির জন্যও প্রেম করা উচিত নয়। প্রেম হচ্ছে পৃথিবীর মধুরতম সম্পর্ক যেখানে থাকবে না কোনো চাওয়া-পাওয়া, থাকবে না কোনো স্বার্থ, থাকবে শুধুই ভালোবাসা। যে কাউকেই ভালোবাসা যায়। ভালোবাসার প্রকারভেদ নিয়ে আরেকদিন না হয় লিখবো। আজ শুধু ভালোবাসার সুখগুলোই খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। আদতে যদিও ভালোবাসায় সুখের কোন সংজ্ঞাই হয়না, তেমনি ভালোবাসার সুখ খুঁজে বের করাটাও যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিখ্যাত লেখক শরতচন্দ্র বলেছিলেন- সত্যিকারের ভালবাসার তার পাত্র বা পাত্রীকে সুস্থ্য ও সুখী দেখতে চায়। কারণ, শুধু ভালোবাসা এবং যত্ন দিয়েই মরুভূমিতেও ফুল ফোটানো যায়।   ভালবাসা তালাবদ্ধ হৃদয়ের দরজা মুহূর্তে খুলে দেয়।  এবং এটাই হলো ভালোবাসার আসল জোর। মন থেকেই কাউকে খুঁজুন এবং তাকেই বেছে নিন। যে কিনা আপনাকে পেয়ে গর্ব বোধ করে। আপনাকে হারানোর ভয়ে ভীত থাকে। আপনার ইচ্ছা গুলোকে পূরণ করার প্রচেষ্টায় থাকে। আপনাকে সম্মান করে আপনার যথেষ্ট যত্ন করে। আপনার না বলা অনেক কিছুই যেন সে বুঝে ফেলে। ছোট ছোট কারনে রাগ অভিমান আর ঝগড়া করে। আপনার দোষ, গুণ, ভালো, মন্দ লক্ষ্য করে। যে আপনার ভালো কে ভালো, এবং খারাপ কে খারাপ-নির্দ্বিধায় বলে ফেলে; সে সত্যিকার অর্থেই আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনাকে সে সুখী দেখতে চায়। লেখক নিমাই ভট্টাচার্য বলেছিলেন, সোনায় যেমন একটু পানি মিশিয়ে না নিলে গহনা মজবুত হয় না, সেইরকম ভালবাসার সঙ্গে একটু শ্রদ্ধা, ভক্তি না মিশালে সে ভালবাসাও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সত্যিকারে ভালোবাসুন, আপনিও সুখী হবেন।   নিজে অসুখী হয়ে অন্যকে ভালোবেসে সুখী করা যায়না। কেউ আপনার জীবনে সুখ এনে দেবে ভেবে কারো সাথে প্রেমে জড়াবেন না। বরং আপনি কারো জীবনে সুখ এনে দেবেন ভেবে ভালোবাসুন। ভালোবাসা দেওয়ার জিনিস, নেওয়ার জিনিস নয়। ইংলিশ লেখক টেনিসন বলেছিলেন, “ভালবাসা যা দেয় তার চেয়ে বেশী কেড়ে নেয়।”  আপনি যদি ভালোবাসা দেওয়ার চেয়ে ভালোবাসা পাওয়াতে বেশি সুখ পান, তাহলে আপনি এখনো ভালোবাসার গভীরে যেতে পারেননি। গভীর ভালোবেসে যে সুখ পাওয়া যায় তার সাথে প্রায় অন্য কোনো সুখের তুলনা চলেনা! মার্কিন লেখক জর্জ চ্যাপম্যান এর কথায় “ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে ভালোবাসা দেওয়াতেই [...]

Read more...

জেনে নিন কাজুবাদামের কিছু গুণাগুণ! কাজে লাগতে পারে আপনার

শুধুই স্বাদেই নয়, কাজুবাদামের গুণও রয়েছে অনেক। কাজু বাদামে বিভিন্ন ভিটামিন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক খনিজ উপাদান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৩০.১৯ গ্রাম শর্করা, ১৮.২২ গ্রাম আমিষ, ৪৩.৮৫ গ্রাম চর্বি থাকে। যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। কাজু বাদামে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। জেনে নিন সেসব গুণাগুণ- ১. কাজুবাদামে প্রোয়ানথোসিয়ানিডিন ও উচ্চমাত্রার কপার রয়েছে, যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। ২. কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। যা আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ৩. কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। ৪. কাজুবাদামে কোলেস্টেরল থাকে না, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের হার্টের জন্য কাজুবাদাম খুবই উপকারী। ৫. কাজুবাদাম হজমের জন্য খুব উপকারী। ৬. কাজুতে থাকা জিংক ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ৭. কাজুবাদাম অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৮. কাজুবাদামে থাকা কপার আমাদের চুলের রং কালো রাখতে সহায়তা করে। ৯. ভালো ঘুমেও সহায়তা করে।

Read more...

এই শীতকালে শরীরের যত্নে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা!

হেমন্তের শেষ হতে না হতে চলে এসেছে শীতের আগমনী বার্তা। আর ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে নানা রকমের রোগও ভর করে শরীরজুড়ে। শীতকাল এলেই সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরভাব ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। তাই শীতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতার। চলুন তাহলে জেনে নিই শীতে করণীয় কিছু বিষয়- ১. শীত এলে ঠাণ্ডা লাগার উপসর্গ দেখা দেয়। এর ফলে গলা খুসখুস করে, নাক বন্ধ হয়ে থাকে, ঘুম নষ্ট হয়। এর সাথে জ্বর না হলে ঘরে বসে নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারেন। এ সময় সবচেয়ে উপকারী হলো হালকা গরম জল পান করা আর বিশ্রাম নেয়া। ২. এসময় ঠাণ্ডা লাগার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়। এমনটা হলে একটা বড় পাত্রে ফুটন্ত জল ঢেলে, তারপর মুখ নিচু করে সেই জলের ভাপ নিতে হবে কয়েক মিনিট। পুরো ভাপটি যাতে ঠিকমতো পাওয়া যায়, সেজন্য বড় একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিতে হবে। দিনে কয়েকবার এভাবে ভাপ নিতে হবে। ৩. সর্দি, কাশি বা সামান্য গলাব্যথা এমন কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে একবার ঠাণ্ডা লাগলে, তা সারতে অন্তত এক সপ্তাহ লাগবেই। কাশির জন্য সকালে ১ চামচ আদার রসের তুলনা নেই, তবে সামান্য মধু বা চিনি মিশিয়ে নেবেন। ৪. ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু সংক্রমণ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ফল এবং সবজি খাওয়া উচিত। শরীরের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক। ফল এবং সবজি তা পূরণ করতে পারে। ৫. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকতে নিয়মিত লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। বাচ্চাদেরও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এর জন্য আলাদাভাবে নতুন কিছুর প্রয়োজন নেই। বাজারে উন্নতমানের যে লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ রয়েছে তা ব্যবহার করলেই হবে।

Read more...

নিজেকে সুন্দর রাখতে চান? জেনে নিন সহজ উপায়!!

মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যর পূজারী। সৌন্দর্য আমাদের ব্যক্তি জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি সুন্দর এই কথাটি চিন্তা করতে কার না ভালো লাগে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্যই আমাদের সৌন্দর্য টিপসগুলো কাজে লাগবে আশা করি। আসুন জেনে নেই নিজেকে সুন্দর রাখার সহজ উপায়গুলো। টিপস ০১ : শসার রসের সাথে কর্ণফ্লাওআর বা লাল আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন। বিশেষ করে গলা ও মুখে ব্যাবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা দারুন বাড়বে। টিপস ০২ : আমলকী খেলে মুখের রুচি বাড়ে, চুল পড়া বন্ধ হয় এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে। আর আমলকীর গুঁড়া ও তিলের তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে যেমন শুষ্ক ত্বক কোমল হবে তেমনি ত্বক ফর্সাও করবে। আবার চুলে আমলকীর রস ১ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের অকালপক্বতা দূর হবে। টিপস ০৩ : কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন। চলে যাবে ।  টিপস ০৪ : প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়? ব্যাপার না, নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান।  টিপস ০৫ : – মেথি বাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করুন। – ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান।- অতিরিক্ত খুশকি কমাতে মাথায় তেল দেওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখুন। অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে এক দিন পর পর চুল পরিষ্কার করুন। – টক দই ও মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন।

Read more...

নখের যত্নে ঘরোয়া কিছু টিপস

আমাদের হাত ও পায়ের সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ নখ। সুন্দর নখ হাতকে যেমন করে আকর্ষনীয় তেমন পা’কে করে মনকাড়া। পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। ঝাঁ তকতকে, ঝকঝকে, আকর্ষনীয়, সুন্দর নখ কার না পছন্দ। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া। সময় কিংবা অর্থের কারণে যারা পার্লারে গিয়ে নখের পরিচর্চা করতে পারেন না তারা ঘরে বসেই নিতে পারেন যত্ন।  তাই আসুন জেনে নেই নখের যত্নের কিছু করণীয়। বাড়িতে যেসব উপকরণ আছে সেসব উপকরণ দিয়ে সেরে নিতে পারেন মিনিকিওর পেডিকিওর। প্রথমে আপনি হালকা কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ, সামান্য শ্যাম্পু, ও লেবুর রস দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন হাত ও পায়ের নখ। এরপর যেকোনো ব্রাশ দিয়ে নখ গুলো ঘুষে নিন। ঠাণ্ডা  পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর নেইল কাটার দিয়ে আপনার পছন্দ মত সাইজ করে নখ কেটে নিন। তবে নখ সমান করে কাটুন কারন উচু নিচু করে কাটা নখ সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এরপর যেকোনো ময়শ্চারাইজিং লোশন দিয়ে ম্যাসাস করুন ৫ মিনিট । এতে আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এক সপ্তাহের বেশি নখে নেইল পলিস রাখবেন না।নেইল পলিস উঠাতে কোন ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না। সেক্ষেত্রে রিমুভার ব্যবহার করেন। অন্তত ৩-৪ দিন ব্যবধানে নখে নেইল পলিস ব্যবহার করুন। নেইল পলিস ব্যবহারে সচেতন হউন।অতিরিক্ত নেইল পলিস ও রিমুভার আপনার নখ গুলো কে ড্রাই করে এবং নখের প্রাকৃতিক কালার নষ্ট করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখে অলিভ অয়েল ও ভেসলিন লাগিয়ে ঘুমান। এতে আপনার নখ শক্ত হবে এবং নখের হলুদ ভাব দূর হবে। দাঁত দিয়ে অনেকের নখ কাটার অভ্যাস থাকে। এটি অবশ্যই ত্যাগ করুন। অনেক সময় সবজি কাটতে হাতে কালো দাগ হয়। সেক্ষেত্রে কাটা লেবু ঘুসুন , এমনি পরিষ্কার হবে। নখ কে সুস্থ রাখতে ভেতরের পুষ্টি খুব দরকার । সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন , আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গ সুস্থ রাখার জন্য পযাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। আমরা আজকাল [...]

Read more...

শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক দূর করুন সহজ ১০ টি উপায়ে!!

ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগগুলো দেখা যায়। মূলত এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান? ১.  গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ২.  ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে। ৩.  প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন। ৪.  শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। ৫.  ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে। ৬.  চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। ৭.  এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি। ৮.  ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৯.  এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর [...]

Read more...

মেকাপ তোলার সহজ পদ্ধতি!!

আগের রাতে পার্টি ছিলো। পার্টিতে অসাধারণ সেজে আপনি সবার নজর কেড়েছেন, অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন। তাই আনন্দচিত্তে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়লেন। কিন্তু পরদিন সকালে আয়নার সামনে দাড়িয়ে আপনার আনন্দ উধাও তো হলই, মনটাও খারাপ হয়ে গেল। কারন, মুখভর্তি ব্রণ উঠেছে। অনেকেই পার্টি মেকাপ নেয়ার পর এই ধরণের সমস্যায় ভোগেন। । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! মুখ ধোয়ার কথা আবার বলে দিতে …হয় না কি! তাদের জন্য বলছি আমরা হয়তো ঠিকই পার্টি থেকে ফিরে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুই, কিন্তু মেকাপ তোলার সঠিক নিয়ম না জানার জন্যে বিরক্তিকর ব্রণ যন্ত্রণায় পড়ি। চলুন জেনে নিই পার্টি মেকাপ তোলার সঠিক পদ্ধতিটি। প্রথম ধাপে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। অনেকেই প্রথমে মেকাপ রিমুভার দিয়ে মেকাপ তোলার চেষ্টা করেন।কিন্তু মেকাপ রিমুভার ব্যাবহারের আগেই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নেয়াটাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। দ্বিতীয় ধাপে তুলো তে মেকাপ রিমুভিং লোশন নিয়ে ধীরে ধীরে মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর আর এক টুকরো তুলো দিয়ে মাসাজ করে করে মুখের মেকাপ তুলে ফেলুন। চোখের মেকাপ তোলার জন্য যদি হাতের কাছে আলাদা করে আই মেকাপ রিমুভার না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ভ্যাসলিন বা অন্য কোন পেট্রোলিয়াম জেলি তুলোতে নিয়ে চোখের মেকাপ তুলে নিতে পারেন। মেকাপ তোলার পর ত্বকে টোনার লাগান। টোনার ব্যাবহারের সময় লক্ষ রাখবেন টোনারটি যাতে অবশ্যই আপনার ত্বকের উপযোগী হয়। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাদের জন্য টোনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতের কাছে টোনার না থাকলে এর পরিবর্তে শসার রসে মধু মিশিয়েও ব্যাবহার করতে পারেন। এবার চোখের চারপাশে আইক্রিম মাসাজ করে নিন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ত্বককে কালো ছোপ এবং ভাঁজ পড়ে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। সবশেষে আপনার মুখে ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মাসাজ করুন। পার্টি থেকে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে এসে ঘুমোতে যাবার আগে অতি অবশ্যই আপনার মুখ ভালোভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করতে কিছুতেই ভুলে যাবেন না। অনেক সময় আমরা বাইরে থেকে ফিরে অলসতা করি অথবা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি একটু সচেতন হই তাহলেই অবাঞ্ছিত ব্রণের হাত থেকে মুখের ত্বককে খুব সহজেই রক্ষা করতে পারি।

Read more...

সুন্দর ঠোঁটের সাজসজ্জা ও পরিচর্যা!!

ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখার ঠিক বাইরে আউট লাইন এঁকে নিবেন লিপ লাইনার বা লিপ ব্রাশের সাহায্যে। এখন গাঢ় রঙের লিপস্টিক আউট লাইন বরাবর সারা ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট অনেক ভরাট দেখাবে। সবশেষে লিপগ্লস ব্যবহার করে ঠোঁট বাড়তি চক্চকে করে নিন। পাতলা ছোট ঠোঁট ছোট-পাতলা ঠোঁট ভরাট ও বড় দেখানোর জন্য ঠোঁটের আসল সীমারেখা সামান্য বাড়িয়ে আউটলাইন এঁকে নিন। এবার গাড় বা হালকা রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করে নিন। দুই কোণ চাপা ভরাট ঠোঁট যাদের ঠোঁট এ ধরনের তারা আউট লাইন আঁকার সময় ঠোঁটের দুই কোণ বাড়িয়ে মানানসই আউট লাইন আঁকবেন। এ ধরনের ঠোঁটে সব সময় হালকা রঙের লিপস্টিক লাগালে ভাললাগে। ফোলা ঠোঁট যাদের ঠোঁট একটু ফোলা ধরনের তারা ঠোঁট মানানসই করার জন্য ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখা বরাবর ম্যাচিং শেড ব্যবহার করে আউট লাইন আঁকুন। এবার ওপরের ঠোঁট ও নিচের ঠোঁট ভরাট করুন যথাক্রমে হালকা ও গাঢ় রঙের লিপস্টিক দিয়ে। ফোলা ঠোঁট হলে লিপগ্লস না লাগানোই ভালো। তবে ফোলা ঠোঁট যদি মুখশ্রীর সাথে মানান সই হয় তা হলে শুধু মাত্র নিচের ঠোঁটে লিপগ্লস লাগাতে পারেন। ভরাট ঠোঁট ভরাট ঠোঁটের ক্ষেত্রে প্রকৃত সীমারেখা বরাবর বা সামান্য কমিয়ে আউট লাইন আঁকুন। ঠোঁটের দু’কোণায় আউটলাইন মেলাবেন না। সামান্য ফাঁক রাখবেন। এবার গাঢ় বা মাঝারি রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করুন। ভরাট ঠোঁটে কখনো লিপগ্লস ব্যবহার করবেন না।প্রসারিত ঠোঁট প্রসারিত ঠোঁটের জন্য আউটলাইন আঁকুন হালকা রঙের লিপস্টিক লিপ-ব্রাশে নিয়ে বা হালকা রঙের লিপলাইনার ব্যবহার করে। দুই কোণায় সামান্য ফাঁক রাখবেন। যে রঙের লিপস্টিক দিয়েই ঠোঁট ভরাট করুন না কেন, তা ঠোঁটের মাঝের অংশে লাগান গভীর করে। আর দুই পাশে লাগান অপেক্ষাকৃত হালকা করে। এই হলো মোটামুটি ঠোঁটের মেকাপ। শেষ করার আগে যে কথাটি কথা না বললেই নয়, তা হলো লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কোনো ব্র্যান্ডেরই ব্যবহার করেন না কেন- এটি যেন আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল, চকচকে ও চেহারার সাথে মানানসই করে তুলে সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন।   ঠোঁটের পরিচর্যা  ঠোঁট হবে আকর্ষণীয়, এটাই সবার কাম্য। কিন্তু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় চামড়া ওঠা, ফাটাভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনও তেলগ্রন্থি’ থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা [...]

Read more...

নিখুঁত ত্বকের জন্য রাতে যে ২টি ফেসিয়াল মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন!!

কাঠ ফাটা রোদ আর একটু পরই বৃষ্টি। দুয়ে মিলে আবহাওয়া হয়ে উঠেছে অস্বস্তিকর। না ভালো করে গরম যাচ্ছে না একটু ঠাণ্ডা হচ্ছে পরিবেশ। এই সময়টায় ত্বক আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে চলতে যেয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা, কালো ছোপ দাগ ইত্যাদির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সকলেই সমাধান খুঁজছেন। অনেকে ভরসা করেন বাজারের ত্বকের প্রোডাক্টের ওপর। কিন্তু কেমিক্যালে ভরপুর এই প্রোডাক্টগুলোর চাইতে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক জিনিসের ওপর। ঝলমলে উজ্জ্বল এবং সমস্যাবিহীন ত্বক পেতে সারাদিন শেষে রাতে একটু সময় বের করে নিন ত্বকের যত্ন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল রাতে ব্যবহারের ২ টি ফেসিয়াল মাস্ক যা দূর করবে ত্বকের সমস্যা। চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েলের ফেসিয়াল স্ক্রাব সব ধরনের ফেসিয়াল স্ক্রাবের মধ্যে এই স্ক্রাবটি সবথেকে ভালো। কারন এই স্ক্রাবটির উপাদান অনেক সহজলভ্য এবং প্রাকৃতিক বলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এবং এর কার্যকারিতা অনেক বেশি। অলিভ অয়েল ত্বককে কোমল করে ও চিনি ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ দূর করে। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে আপনার লাগবে চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল। ২ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ২ চা চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের তালুতে নিয়ে মুখের ত্বকে হালকাভাবে ঘষে লাগান। মুখে এই মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। ত্বকের উজ্জলতার পরিবর্তন আপনি নিজেই দেখতে পাবেন। কলা এবং দইয়ের ফেসিয়াল মাস্ক কলা খেতে যতটা সুস্বাদু ততোটাই উপকারি। কলা প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের কোমলতার জন্য একটি অসাধারন উপাদান। অন্যদিকে দই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সব সময়ের জন্যই উপকারি। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে ১ টি কলা, ১ চা চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ দুধ ও ২ চা চামচ টকদই। প্রথমে একটি বাটিতে কলা নিয়ে চামচের মাধ্যমে ম্যাশ করুন। এরপর এতে ২ চা চামচ দই নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে মধু ও দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি আলতো ঘষে ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণটি ত্বকে থাকতে দিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে ফেলুন। [...]

Read more...