Health Blog

হার্ট ভালো রাখতে ও খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে কিসমিস!

পায়েস কিংবা পোলাও, এতে কয়েকটি কিসমিস দিলে তাতে স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু শুধু কিসমিসের অনেক গুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। প্রতিদিন এক কাপ করে কিসমিস ভেজানো পানি খেলে পাওয়া যায় বিশেষ উপকারিতা। আমাদের আজকের হেলথ ব্লগের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, কী কী উপকারিতা পাবেন কিসমিস ভেজানো পানি পান করলে— ১। কিসমিসে থাকে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে। ২। কিসমিসে আরও রয়েছে আয়রন। যা রক্ত স্বল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। ৩। কিসমিসে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শরীরে শক্তি জোগায়। নারীরাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন,          তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারী। ৪। এছাড়াও নিয়মিত কিসমিস খেলে বা কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারও ভাল থাকে। যারা                  প্রায়ই  পেটের গন্ডগোলে ভোগেন তাদের জন্য এই পানি বিশেষ উপকারী। ৫। কিসমিস ভেজানো পানি খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত                            পরিশোধিত হয়। ৬। কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার        দুটো ভাল থাকলে হজমও ভালভাবে হয়। কীভাবে বানাবেন কিসমিস ভেজানো পানি- ২ কাপ পানিতে ১৫০ গ্রাম কিসমিস ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। গাঢ় রংয়ের কিসমিস বেশি উপকারী। কিসমিসগুলি ভালভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে সেই পানি হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘণ্টা আর অন্য কিছু খাবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই পানি খেলে সুস্থ থাকবেন।

Read more...

ভালোবাসার সুখগুলো

আইরিশ অভিনেত্রী ম্যালানি ক্লার্ক বলেছিলেন, “আমরা কোনোভাবেই ভালোবাসার ওপর মূল্য নির্ধারণ করতে পারি না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য দরকারি সব উপকরণের ওপর মূল্য নির্ধারণ করতেই হবে”। ভালোবাসা অনেক পবিত্র একটি অনুভূতি। স্বার্থসিদ্ধির জন্যও প্রেম করা উচিত নয়। প্রেম হচ্ছে পৃথিবীর মধুরতম সম্পর্ক যেখানে থাকবে না কোনো চাওয়া-পাওয়া, থাকবে না কোনো স্বার্থ, থাকবে শুধুই ভালোবাসা। যে কাউকেই ভালোবাসা যায়। ভালোবাসার প্রকারভেদ নিয়ে আরেকদিন না হয় লিখবো। আজ শুধু ভালোবাসার সুখগুলোই খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। আদতে যদিও ভালোবাসায় সুখের কোন সংজ্ঞাই হয়না, তেমনি ভালোবাসার সুখ খুঁজে বের করাটাও যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিখ্যাত লেখক শরতচন্দ্র বলেছিলেন- সত্যিকারের ভালবাসার তার পাত্র বা পাত্রীকে সুস্থ্য ও সুখী দেখতে চায়। কারণ, শুধু ভালোবাসা এবং যত্ন দিয়েই মরুভূমিতেও ফুল ফোটানো যায়।   ভালবাসা তালাবদ্ধ হৃদয়ের দরজা মুহূর্তে খুলে দেয়।  এবং এটাই হলো ভালোবাসার আসল জোর। মন থেকেই কাউকে খুঁজুন এবং তাকেই বেছে নিন। যে কিনা আপনাকে পেয়ে গর্ব বোধ করে। আপনাকে হারানোর ভয়ে ভীত থাকে। আপনার ইচ্ছা গুলোকে পূরণ করার প্রচেষ্টায় থাকে। আপনাকে সম্মান করে আপনার যথেষ্ট যত্ন করে। আপনার না বলা অনেক কিছুই যেন সে বুঝে ফেলে। ছোট ছোট কারনে রাগ অভিমান আর ঝগড়া করে। আপনার দোষ, গুণ, ভালো, মন্দ লক্ষ্য করে। যে আপনার ভালো কে ভালো, এবং খারাপ কে খারাপ-নির্দ্বিধায় বলে ফেলে; সে সত্যিকার অর্থেই আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনাকে সে সুখী দেখতে চায়। লেখক নিমাই ভট্টাচার্য বলেছিলেন, সোনায় যেমন একটু পানি মিশিয়ে না নিলে গহনা মজবুত হয় না, সেইরকম ভালবাসার সঙ্গে একটু শ্রদ্ধা, ভক্তি না মিশালে সে ভালবাসাও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সত্যিকারে ভালোবাসুন, আপনিও সুখী হবেন।   নিজে অসুখী হয়ে অন্যকে ভালোবেসে সুখী করা যায়না। কেউ আপনার জীবনে সুখ এনে দেবে ভেবে কারো সাথে প্রেমে জড়াবেন না। বরং আপনি কারো জীবনে সুখ এনে দেবেন ভেবে ভালোবাসুন। ভালোবাসা দেওয়ার জিনিস, নেওয়ার জিনিস নয়। ইংলিশ লেখক টেনিসন বলেছিলেন, “ভালবাসা যা দেয় তার চেয়ে বেশী কেড়ে নেয়।”  আপনি যদি ভালোবাসা দেওয়ার চেয়ে ভালোবাসা পাওয়াতে বেশি সুখ পান, তাহলে আপনি এখনো ভালোবাসার গভীরে যেতে পারেননি। গভীর ভালোবেসে যে সুখ পাওয়া যায় তার সাথে প্রায় অন্য কোনো সুখের তুলনা চলেনা! মার্কিন লেখক জর্জ চ্যাপম্যান এর কথায় “ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে ভালোবাসা দেওয়াতেই [...]

Read more...

জেনে নিন কাজুবাদামের কিছু গুণাগুণ! কাজে লাগতে পারে আপনার

শুধুই স্বাদেই নয়, কাজুবাদামের গুণও রয়েছে অনেক। কাজু বাদামে বিভিন্ন ভিটামিন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক খনিজ উপাদান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৩০.১৯ গ্রাম শর্করা, ১৮.২২ গ্রাম আমিষ, ৪৩.৮৫ গ্রাম চর্বি থাকে। যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। কাজু বাদামে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। জেনে নিন সেসব গুণাগুণ- ১. কাজুবাদামে প্রোয়ানথোসিয়ানিডিন ও উচ্চমাত্রার কপার রয়েছে, যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। ২. কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। যা আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ৩. কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। ৪. কাজুবাদামে কোলেস্টেরল থাকে না, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের হার্টের জন্য কাজুবাদাম খুবই উপকারী। ৫. কাজুবাদাম হজমের জন্য খুব উপকারী। ৬. কাজুতে থাকা জিংক ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ৭. কাজুবাদাম অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৮. কাজুবাদামে থাকা কপার আমাদের চুলের রং কালো রাখতে সহায়তা করে। ৯. ভালো ঘুমেও সহায়তা করে।

Read more...

সজিনা পাতার পুষ্টিগুন একবার পড়ে দেখুন!!

সজিনা আমাদের দেশে একটি বহুল পরিচিত বৃক্ষ, যার কাঁচা লম্বা ফল সবজি হিসেবে খাওয়া হয় সজিনা পাতা শাকের মতো রান্না করে আহারের সময় অল্প পরিমাণে খেলে বল বৃদ্ধি পায় ও ক্ষুধাবাড়ে। সামান্য একটু পানিতে এক চিমটি খাবার সোডা দিয়ে ফুটে উঠলে শাক দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। যেহেতু সজনা পাতা বেশ শক্ত তাই এই প্রক্রিয়ায় শাক একদম নরম হয়ে যাবে। এর সাথে মরিচ, পেয়াজ ও সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তা করে নিলেই চলে। অনেকে ভাজিও করে খান।  সজিনা পাতা কেটে ফোঁড়া বা টিউমারে দিলে উপকার পাওয়া যায়। উত্তরবঙ্গে সজিনা পাতাকে শাক হিসেবে খাওয়া হয়। এতে তাদের শ্রমজনিত ক্লান্তি, শরীরের ব্যথা ইত্যাদি দূর হয়। সজিনা ফুল শাকের মতো রান্না করে বসন্তকালে খেলে বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ হয়। এছাড়া সর্দি, কাশিতে, শোথে, প্লীহা ও যকৃতের কার্যকারিতা কমে গেলে এবং কৃমিনাশক হিসেবেসজিনা ব্যবহার করা যায়। সজিনা পাতার পুষ্টিগুন একবার পড়ে দেখুন সজনা পাতা শরীরে দ্রুত শক্তি জুগিয়ে স্বাস্থ্য ভাল করতে সাহায্য করে। সজিনা পাতার আরও উপকারীতাঃ – পরিপাক তন্ত্র সুস্থ রাখে ও খাদ্য হজমের শক্তি বৃদ্ধি পায়। – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে – মন প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে – উচ্চ রক্ত চাঁপ কমাতে সাহায্য করে – প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ তাই কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে – আর্থ্রাইটিস এ খুব ভাল কাজ করে – স্টমাক আলসার ভাল করে এবং স্টমাক লাইনিং মজবুত রাখে। – প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে সজনা শাকে ।

Read more...

গরুর মাংস!! জেনে নিন এর সুফল ও কুফল।

গরুর মাংস অতি শক্তিশালী ও পুষ্টিকর একটি খাবার। গরুর মাংস অনেক স্বাদের এবং অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। গরুর মাংস স্বাদে অতুলনীয় এবং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে যে কোনো খাবারই সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। এই খাদ্যের মধ্যে মজুদ পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। তবে পুষ্টি উপাদান বেশি হওয়ার ফলে অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এবং বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ চিহ্নিত হওয়ায় খাবারটি প্রিয় হলেও অনেকে এড়িয়েও চলেন। তাই চলুন, জেনে নিই এই খাদ্যের সুফল ও কুফলগুলো। সুফলঃ   পুষ্টি :  গরুর মাংস প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রাণী থেকে সংগৃহীত হয় বলে এটি প্রাণিজ প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গরুর মাংসে বিদ্যমান। প্রোটিন : গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। মাংস ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর মাংসের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও মাংসপেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। ফ্যাট : গরুর মাংসে অনেক সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। ফ্যাটের উপস্থিতির জন্য গরুর মাংস অনেক মজাদার হয়ে থাকে। কচি মাংসে এই ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ফ্যাট রয়েছে ২.৬ গ্রাম। মিনারেলস : এক টুকরো গরুর মাংসে অনেক ধরনের মিনারেল পাওয়া যায়। বিশেষ করে জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও কপার। এই মিনারেলগুলো শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে। জিংক আমাদের শরীরের কোষ রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। বলা হয় তিন আউন্স পরিমাণ গরুর মাংস দৈনিক জিংকের ৩৯% চাহিদা পূরণ করে থাকে। জিংক : যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফসফরাস : যা মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য জরুরি। আয়রন : যা রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ এবং শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে। ভিটামিন : গরুর মাংসে অনেক রকম ভিটামিন থাকে, বিশেষ করে বি১২ বি৬ রিবোফ্ল্যাবিন ও বি১২-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের মতে, দৈনিক ২.৪ মিলিগ্রাম বি১২ লাগে। তিন আউন্স গরুর মাংস বি১২-এর দৈনিক ৩৭% চাহিদা পূরণ করতে পারে। তিন আউন্স গরুর মাংস ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, জিংক ও সেলেনিয়ামের খুবই ভালো উৎস। তিন আউন্স [...]

Read more...

স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ সমূহ!! যা জেনে রাখা জরুরী।

স্তন ক্যান্সার সারা বিশ্বে মহিলাদের ক্যান্সার জনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারন। বাংলাদেশও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়,  “ক্যান্সার রেজিস্ট্রি রিপোর্ট, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ এন্ড হসপিটাল ২০০৫-২০০৭” এর তথ্যমতে বাংলাদেশে মহিলাদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারে মৃত্যু হার ২৫.৬%, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে এ ক্যান্সারে আক্রান্তের হার প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আশার কথা হল, প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্তকরন এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত প্রায় ৯০% রোগী ৫ বৎসর বা এরও অধিক সময় বেঁচে থাকতে পারেন। প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার সনাক্তকরনের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা এবং জেনে রাখা প্রয়োজন এর লক্ষণ সমূহ।     স্তন ক্যান্সারের লক্ষণসমূহঃ ১. স্তন কিংবা বগলে চাকা বা দলা অনুভব করা। ঋতুচক্রের সময় অনেক মহিলার ক্ষেত্রে এ ধরনের লক্ষণ দেখা দেয় এবং ঋতুচক্র পরবর্তী সময়ে তা চলেও যায়, এতে ভয়ের কিছু নেই তবে এই লক্ষণ স্থায়ী হলে তা পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। স্তন ক্যান্সার জনিত এ ধরনের চাকা বা দলায় সাধারনত কোন ব্যথা অনুভূত হয় না তবে এক ধরনের খোঁচা লাগে এমন অনুভূতি হতে পারে। ২. হাতের নিচে অর্থাৎ বগলের কোথাও নির্দিষ্ট কোন কারন ছাড়াই ফুলে ওঠা।     ৩. স্তনের কোথাও লালচে ভাব কিংবা ব্যথা অনুভব করা। ৪. স্তনের কোন অংশ অস্বাভাবিক ভাবে দেবে যাওয়া। ৫. স্তনের আকার, রঙ, ত্বকের মসৃণতা কিংবা তাপমাত্রায় তারতম্য পরিলক্ষিত হওয়া। স্তনের ত্বকে লালচে আভা এবং কমলা লেবুর খোসার মত অমসৃণতা দেখা দিলে তা এডভান্সড ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞের পরামর্ষ নেয়া প্রয়োজন।     ৬. স্তনবৃন্তে (Nipple) বিশেষ কিছু পরিবর্তন পরিলক্ষিত হওয়া, যেমন- স্তনবৃন্ত দেবে যাওয়া, চুলকানি, জ্বালা পোড়া, খুস্কি অথবা ক্ষত কিংবা ঘা এর উপস্থিতি। ৭. স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ। এ ক্ষেত্রে স্তনবৃন্ত থেকে পরিস্কার, রক্ত যুক্ত কিংবা অন্ন কোন রঙের পাতলা অথবা আঠালো তরল নিঃসরণ হতে পারে। ৮. চামড়ার নিচে কোন ধরনের গুটি অনুভব করা। ৯. স্তনে এমন যেকোনো ধরনের পরিবর্তন যা দৃশ্যতই অস্বাভাবিক।

Read more...

উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয়

আপনার উচ্চরক্তচাপ আছে কি না তা জানার একমাত্র উপায় হল রক্তচাপ (ঊচ্চ রক্তচাপ) পরীক্ষা করা। এটি আপনার ডাক্তার আপনার জন্য করে দিতে পারেন এবং আপনি ব্লাড প্রেসার মেশিনএর মাধ্যমে করতে পারেন।৪০ বছরের উপরের স্বাস্থ্যবান প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৫ বছরে অন্তত একবার করে রক্তচাপ পরিমাপ করা উচিত।যদি আপনার উচ্চরক্ত চাপের ঝুকি থাকে তাহলে আপনার উচিত প্রতি বছরে অন্তত একবার করে রক্তচাপ পরিমাপ করে দেখা। ডাক্তার দিয়ে রক্তচাপ চেক করানো : ব্লাড প্রেসার মেশিন এমন  একটি যন্ত্র যার মধ্যে একটি স্টেথোস্কোপ, আর্ম কাফ, ডায়াল, পাম্প এবং একটি ভাল্ব থাকে। কাফটি আপনার বাহুর চার পাশে লাগানো হবে এবং ততক্ষন ফুলানো হবে যতক্ষন না আপনার ওই স্থানের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়। এর পর চাপ আসতে আসতে কমানো হয় আর স্টেথোস্কোপ দিয়ে আপনার পালস (স্পন্দন) দেখা হয়। কাফ এর প্রেসার ছাড়ার সময় আপনার পালস (স্পন্দন)  কি রকম তা শোনা হয় এবং এর রিডিং একটি মারকারী স্কেলে নেয়া হয়, যা দ্বারা ব্লাড প্রেসার এর সঠিক মাত্রা নির্নয় করা যায়। ব্লাড প্রেসার মাপার আগে আপনার ৫ মিনিটের বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রস্রাব করে মুত্র থলি খালি রাখতে হবে। একটি নিখুত রিডিং পেতে হলে ব্লাড প্রেসার মাপার সময় আপনাকে বসে থাকতে হবে এবং কোন কথা বলা যাবে না। ব্লাড প্রেসারের রিডিং যদি একবার উচ্চরক্ত চাপ পাওয়া যায়, তার মানে এই না যে আপনার উচ্চরক্ত চাপ আছে। সারাদিনে রক্তচাপ অনেকবার উঠানামা করে।অনেক লোক মেডিকেল বা ক্লিনিকে গেলে অথবা ডাক্তারদের দেখলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে , যার কারনেও রক্তচাপ বাড়তে পারে।এটাকে হোয়াইট কোট হাইপারটেনশান (ডাক্তারের সাদা এপ্রন দেখে যে উচ্চরক্তচাপ হয়) বলে। তাই আপনাকে বাসার মধ্যে সারাদিনে কয়েকবার ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করতে বলতে পারে। এ থেকে নিশ্চিত হতে পারবেন আপনার কি উচ্চরক্তচাপ সবসময় থাকে কিনা। আপনার অন্যান কোন সমস্যা আছে কিনা যেমনঃ- কিডনী রোগ, যার কারনে ব্লাড প্রেসার বাড়ছে তা জানার জন্য আপনাকে কিছু রক্ত বা মুত্র পরীক্ষা করে দেখতে হতে পারে বাসাতে পরীক্ষা করার যন্ত্র: বহনযোগ্য ব্লাড প্রেসার মাপার যন্ত্র যা আপনার বাসাতে বা হাটাচলার সময় প্রেসার মাপে তা আপনার প্রেসার রেকর্ড করতে সাহায্য করতে পারে। তবে আপনি যদি ডিজিটাল ব্লাড প্রেসার এর মেশিন ব্যাবহার করেন তাহলে তিনটি ব্লাড প্রেসার এর বিডিং নিয়ে তার গড় রেকর্ড করা [...]

Read more...

হাঁপানি বা অ্যাজমাঃ জেনে নিন এর প্রাথমিক চিকিৎসা

দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা । অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোন কারণ জানা না গেলেও চিহ্নিত করা হয়েছে প্রধানত ২ টি কারণকে বলে জানালেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শাহরিয়ার জামান দীপ । ১) ‘এটোপি’ বা বংশগত (Genetic) ও ‘এলার্জি’ পরিবেশগত উপাদান এবং ২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা (Bronchial hyper-responsiveness) পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু । ৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি । যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫% । পেশাগত ভাবে ‘potent sensitizer’ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% এজমায় আক্রান্ত হয় । অ্যাজমা রোগের লক্ষণ চেনার উপায় । – শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি । – শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ । – হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা । – ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠাণ্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট । – ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট । – বিটাব্লকার বা অ্যাসরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট । চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয় । রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে । এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয় । এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পরে । বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে । কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে । ১. এলাজেন পরিহার : অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা । তাই এজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয় । ২. ওষুধপত্র : নানা ধরনের হাঁপানির ওষুধ আছে । প্রয়োজন মতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন । সাধারণত দুই ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হয় । ক) শ্বাসনালির সঙ্কোচন বন্ধ করতে ওষুধ ব্যবহার করা, যেমন ব্রঙ্কোডাইলেটর, নালবিউটামল, থিউফাইলিন, [...]

Read more...

সহজে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো খাবারগুলো কি জেনেনিন!!

ওজন কমানোর খাবারগুলো আমাদের পেট ভরে রাখে, ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমে যায়। এই খাবারগুলো পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়ার গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়, ফলে শরীরে জমা ক্যালোরিও চটপট পুড়িয়ে ফেলা যায় এবং আমাদের শরীরে ‘চর্বি’(Fat) জমার সুযোগ থাকে না। ওজণ কমানো ছাড়াও, এই খাবারগুলো খুবই পুষ্টিকর এবং আপনার শরীরের ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। আপনার শরীর ও মনকে সুস্থ এবং চনমনে রাখে। তাছাড়াও, আপনার ত্বকে আরো জ্যোতি আনে, চুলের গোড়া শক্ত করে। তবে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার কোনগুলো! জেনে নেওয়ার জন্য পড়তে থাকুন। ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার নাশপাতি আপনি কি জানেন যে নাশপাতিও আপনার Weight কমিয়ে দিতে পারে? নাশপাতিতে আছে ৬ গ্রাম সলিউবল ফাইবার, যা আপনার কোলেস্টেরল কমায়এবং আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। একটি নাশপাতিতে থাকে মোটে ১০০ ক্যালোরি, যা কিনা অধিকাংশ ফলেরই ক্যালোরির মাত্রার থেকে কম। মাঠাতোলা দই মাঠাতোলা দই এবং দুধ খেয়েও আপনি আপনার Weight কমাতে পারেন। এই খাবারগুলোও ওজণ কমানোর দাওয়াই হিসেবে তেমন গুরুত্ব পায় না। দইয়ে উপস্থিত ‘উপকারী’(Useful) ব্যাক্টেরিয়া সহজে ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়াও দইয়ে থাকে হজমে সহায়ক প্রো্টিন যা তাড়াতাড়ি আপনার শরীরের ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্রাউন রাইস বা লাল চাল ওজন কমাতে সাহায্য করে, কারণ এতে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা কম থাকে, অথচ ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস আ পনার পেট ভরিয়ে রাখে আর সেই কারণে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায় না, ফলে Weight কমতে থাকে। কুমড়ো কুমড়োতে ক্যালোরির মাত্রা থাকে খুবই কম অথচ কুমড়োর পুষ্টিগুণ খুবই বেশি। কুমড়োয় ফাইবারের মাত্রাও বেশ বেশি যা কিনা Weight কমানোর জন্য সহায়ক।কুমড়ো খেলে অনেকক্ষণ পেটভরা থাকে এবং কুমড়োয় বিটাক্যারোটিনও(এক ধরণের ভিটামিন এ) বেশি মাত্রায় থাকে। ‘ওজন’(Weight) কমানোর জন্য দরকারী এই খাবারটিকেও আমরা অবহেলা করে থাকি। আপেল ওজণ কমানোর জন্য খাবারগুলোর মধ্যে সেরা হল আপেল। একটি আপেল খাওয়ার পর অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরা থাকে এবং আরো বেশি খাওয়ার লোভ এড়ানো সহজ হয়। আপেল আপনার পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়ে হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। আপেল ‘ভিটামিন’(Vitamins) সমৃদ্ধ এবং ফাইবারের মাত্রাও বেশি। তাই, খোশাসুদ্ধু আপেল খান Weight কমানোর জন্য। দারুচিনি এটি এমন একটি মসলা যা [...]

Read more...

চিকনগুনিয়ার ভয়াবহতা!! প্রতিকার ও প্রতিরোধ।

চিকনগুনিয়া মশাবাহিত জ্বর। ডেঙ্গু জ্বরের মতো এটারও বাহক এডিস মশা। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গুর মত চিকনগুনিয়া প্রাণঘাতি নয়। তাই এ নিয়ে ভীতির চেয়ে বেশি প্রয়োজন সচেতনতা। আপনার চিকনগুনিয়া হয়েছে কি না তা আগে নিশ্চিত হতে হবে। তারপর এর জরুরি চিকিৎসা করা হতে। তবে চিকনগুনিয়া রোগ হলে চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই যেন রোগীকে অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া না হয়, সেজন্য বিশেষ পরামর্শ চিকিৎসকদের। তবে তার আগে চলুন জেনে নিই রোগটি সম্পর্কে। চিকনগুনিয়া কী? চিকনগুনিয়া প্রথম দেখা যায় আফ্রিকান দেশ তানজানিয়াতে। তাই এই রোগের নাম ‘চিকনগুনিয়া’। শব্দটিও এসেছে তানজানিয়ার ভাষা থেকে। ‘চিকনগুনিয়া’ শব্দটির অর্থ বেঁকে যাওয়া। এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বেঁকে যাওয়ার কারণেই এ রকম নামকরণ। এর ভাইরাসটি মূলত আফ্রিকান হলেও বাংলাদেশে চিকনগুনিয়া আসে ভারতের কলকাতা থেকে। মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক আগে থেকেই বাংলাদেশে ডেঙ্গু (এডিস মশা) আছে। এর বাহক Adese Aegypti (এডিস ইজিপট) মশাই চিকনগুনিয়া জ্বরের ভাইরাসের বাহক। তাই বাংলাদেশে ডেঙ্গুর নির্যাস রয়েই গেছে। বৃষ্টির পানি যেখানে জমা হয় সেখানে ডিম ফুটে বাচ্চা দিচ্ছে এই মশাগুলো। তবে চিকনগুনিয়া ভাইরাসটি ভারতের কলকাতা থেকে এদেশে এসেছে। যেভাবে আক্রান্ত চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে যদি অন্য কোনো মশা কামড়ায়, তবে সেই মশার শরীরে চিকনগুনিয়ার ভাইরাস প্রবেশ করবে। এবার সেই মশা যদি অন্য কোনো ব্যক্তিকে কামড়ায় তবে সেই ব্যক্তিরও চিকনগুনিয়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে শতভাগ। এভাবে আর দশটা মশা আক্রান্ত ব্যক্তিদের কামড়ালে সেই দশটা মশা থেকে চারদিকে মানুষ ও মশাগুলোর শরীরে চিকনগুনিয়া ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এটাই ভাইরাল। চিকনগুনিয়ার লক্ষণ ১. ভীষণ জ্বর হয়, যেটা ১০৪ ডিগ্রি হবে। ২. শরীরের প্রত্যেক জোড়ায় জোড়ায় অসহনীয় ব্যথা। হাত ও পা বেঁকে যায়। ব্যথার কারণে হাতের আঙুল, পায়ের আঙুল ও জোড়া ফুলে যায়। ৩. হাঁটু ও পায়ের পাতায় অসহ্য ব্যথার কারণে হাঁটা খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে হয়। ৪. সারা গায়ে একেবারে পা থেকে মাথা পর্যন্ত লাল লাল দাগ দেখা যায়। এগুলো প্রথম দিকে খুব চুলকায়। ৫. অনেকের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডে ব্যথা হতে পারে। ব্যথার কারণে বিছানা থেকে ওঠা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। চিকনগুনিয়ার চিকিৎসা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁটা চলা একেবারেই নিষেধ। তবে বিশেষ প্রয়োজনে হাঁটতে হলেও সিঁড়ি বেয়ে উঠা-নামা সম্পূর্ণ নিষেধ। রিকশা বা গাড়িতে উঠতে হলে ফুটপাতের মতো উঁচু [...]

Read more...