Healthy food

ডিমের কুসুমে ক্ষতি নেই, জানাল গবেষকরা !!

এতদিন বলা হয়েছে যে, ডিমের কুসুম স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। দিনে ৪টি ডিম খাওয়া যায় অনায়াসেই, কিন্তু কুসুম বাদ দিয়ে। তবে অনেকের মনের কথা একটাই, ডিমের কুসুমই যদি না খাওয়া যায়, তা হলে আর থাকল কী! সেই সব ডিমপ্রেমীদের জন্যই রয়েছে সুখবর। ইউনিভার্সিটি অফ সিডনি থেকে সম্প্রতি একটি গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে। আর যেখানে বলা হয়েছে যে, ডিমের কুসুম খেলে কোনও ক্ষতি নেই। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গবেষক নিক ফুলার জানিয়েছেন যে, ডিমে প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস থাকে যা চোখ, হৃদপিণ্ড, ধমণীকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু, ডিমের কুসুম খেলে অন্য খাবারের প্রতি কিছুটা সংযোগ দেখাতেই হবে বলে জানিয়েছেন গবেষক নিক ফুলার। তাদের গবেষণা অনুযায়ী, সম্পূর্ণ ডিম খেলে, খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে স্যাচুরেটেড ফ্যাট (যেমন মাখন)। তার বদলে খাওয়া যেতে পারে মোনো-আনস্যাচুরেটেড ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট (অলিভ ওয়েল)। আসল কথা, ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত জরুরি। কারণ এতে রয়েছে নানা ভিটামিনের সমাহার। শুধু মনে রাখতে হবে, কিভাবে রান্না করা হচ্ছে আপনার প্রিয় খাদ্য বস্তুটি।

Read more...

হার্ট ভালো রাখতে ও খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে কিসমিস!

পায়েস কিংবা পোলাও, এতে কয়েকটি কিসমিস দিলে তাতে স্বাদ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু শুধু কিসমিসের অনেক গুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। প্রতিদিন এক কাপ করে কিসমিস ভেজানো পানি খেলে পাওয়া যায় বিশেষ উপকারিতা। আমাদের আজকের হেলথ ব্লগের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, কী কী উপকারিতা পাবেন কিসমিস ভেজানো পানি পান করলে— ১। কিসমিসে থাকে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে। ২। কিসমিসে আরও রয়েছে আয়রন। যা রক্ত স্বল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। ৩। কিসমিসে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা শরীরে শক্তি জোগায়। নারীরাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন,          তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারী। ৪। এছাড়াও নিয়মিত কিসমিস খেলে বা কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারও ভাল থাকে। যারা                  প্রায়ই  পেটের গন্ডগোলে ভোগেন তাদের জন্য এই পানি বিশেষ উপকারী। ৫। কিসমিস ভেজানো পানি খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত                            পরিশোধিত হয়। ৬। কিসমিস ভেজানো পানি খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার        দুটো ভাল থাকলে হজমও ভালভাবে হয়। কীভাবে বানাবেন কিসমিস ভেজানো পানি- ২ কাপ পানিতে ১৫০ গ্রাম কিসমিস ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। গাঢ় রংয়ের কিসমিস বেশি উপকারী। কিসমিসগুলি ভালভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরেরদিন সকালে কিসমিস ছেঁকে নিয়ে সেই পানি হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘণ্টা আর অন্য কিছু খাবেন না। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই পানি খেলে সুস্থ থাকবেন।

Read more...

জেনে নিন কাজুবাদামের কিছু গুণাগুণ! কাজে লাগতে পারে আপনার

শুধুই স্বাদেই নয়, কাজুবাদামের গুণও রয়েছে অনেক। কাজু বাদামে বিভিন্ন ভিটামিন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক খনিজ উপাদান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৩০.১৯ গ্রাম শর্করা, ১৮.২২ গ্রাম আমিষ, ৪৩.৮৫ গ্রাম চর্বি থাকে। যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। কাজু বাদামে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। জেনে নিন সেসব গুণাগুণ- ১. কাজুবাদামে প্রোয়ানথোসিয়ানিডিন ও উচ্চমাত্রার কপার রয়েছে, যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। ২. কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। যা আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ৩. কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। ৪. কাজুবাদামে কোলেস্টেরল থাকে না, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের হার্টের জন্য কাজুবাদাম খুবই উপকারী। ৫. কাজুবাদাম হজমের জন্য খুব উপকারী। ৬. কাজুতে থাকা জিংক ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ৭. কাজুবাদাম অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৮. কাজুবাদামে থাকা কপার আমাদের চুলের রং কালো রাখতে সহায়তা করে। ৯. ভালো ঘুমেও সহায়তা করে।

Read more...

সজিনা পাতার পুষ্টিগুন একবার পড়ে দেখুন!!

সজিনা আমাদের দেশে একটি বহুল পরিচিত বৃক্ষ, যার কাঁচা লম্বা ফল সবজি হিসেবে খাওয়া হয় সজিনা পাতা শাকের মতো রান্না করে আহারের সময় অল্প পরিমাণে খেলে বল বৃদ্ধি পায় ও ক্ষুধাবাড়ে। সামান্য একটু পানিতে এক চিমটি খাবার সোডা দিয়ে ফুটে উঠলে শাক দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। যেহেতু সজনা পাতা বেশ শক্ত তাই এই প্রক্রিয়ায় শাক একদম নরম হয়ে যাবে। এর সাথে মরিচ, পেয়াজ ও সরিষার তেল মিশিয়ে ভর্তা করে নিলেই চলে। অনেকে ভাজিও করে খান।  সজিনা পাতা কেটে ফোঁড়া বা টিউমারে দিলে উপকার পাওয়া যায়। উত্তরবঙ্গে সজিনা পাতাকে শাক হিসেবে খাওয়া হয়। এতে তাদের শ্রমজনিত ক্লান্তি, শরীরের ব্যথা ইত্যাদি দূর হয়। সজিনা ফুল শাকের মতো রান্না করে বসন্তকালে খেলে বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ হয়। এছাড়া সর্দি, কাশিতে, শোথে, প্লীহা ও যকৃতের কার্যকারিতা কমে গেলে এবং কৃমিনাশক হিসেবেসজিনা ব্যবহার করা যায়। সজিনা পাতার পুষ্টিগুন একবার পড়ে দেখুন সজনা পাতা শরীরে দ্রুত শক্তি জুগিয়ে স্বাস্থ্য ভাল করতে সাহায্য করে। সজিনা পাতার আরও উপকারীতাঃ – পরিপাক তন্ত্র সুস্থ রাখে ও খাদ্য হজমের শক্তি বৃদ্ধি পায়। – রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে – মন প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে – উচ্চ রক্ত চাঁপ কমাতে সাহায্য করে – প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ তাই কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে – আর্থ্রাইটিস এ খুব ভাল কাজ করে – স্টমাক আলসার ভাল করে এবং স্টমাক লাইনিং মজবুত রাখে। – প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে সজনা শাকে ।

Read more...

গরুর মাংস!! জেনে নিন এর সুফল ও কুফল।

গরুর মাংস অতি শক্তিশালী ও পুষ্টিকর একটি খাবার। গরুর মাংস অনেক স্বাদের এবং অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। গরুর মাংস স্বাদে অতুলনীয় এবং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে যে কোনো খাবারই সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। এই খাদ্যের মধ্যে মজুদ পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। তবে পুষ্টি উপাদান বেশি হওয়ার ফলে অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এবং বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ চিহ্নিত হওয়ায় খাবারটি প্রিয় হলেও অনেকে এড়িয়েও চলেন। তাই চলুন, জেনে নিই এই খাদ্যের সুফল ও কুফলগুলো। সুফলঃ   পুষ্টি :  গরুর মাংস প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রাণী থেকে সংগৃহীত হয় বলে এটি প্রাণিজ প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গরুর মাংসে বিদ্যমান। প্রোটিন : গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। মাংস ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর মাংসের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও মাংসপেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। ফ্যাট : গরুর মাংসে অনেক সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। ফ্যাটের উপস্থিতির জন্য গরুর মাংস অনেক মজাদার হয়ে থাকে। কচি মাংসে এই ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ফ্যাট রয়েছে ২.৬ গ্রাম। মিনারেলস : এক টুকরো গরুর মাংসে অনেক ধরনের মিনারেল পাওয়া যায়। বিশেষ করে জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও কপার। এই মিনারেলগুলো শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে। জিংক আমাদের শরীরের কোষ রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। বলা হয় তিন আউন্স পরিমাণ গরুর মাংস দৈনিক জিংকের ৩৯% চাহিদা পূরণ করে থাকে। জিংক : যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফসফরাস : যা মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য জরুরি। আয়রন : যা রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ এবং শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে। ভিটামিন : গরুর মাংসে অনেক রকম ভিটামিন থাকে, বিশেষ করে বি১২ বি৬ রিবোফ্ল্যাবিন ও বি১২-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের মতে, দৈনিক ২.৪ মিলিগ্রাম বি১২ লাগে। তিন আউন্স গরুর মাংস বি১২-এর দৈনিক ৩৭% চাহিদা পূরণ করতে পারে। তিন আউন্স গরুর মাংস ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, জিংক ও সেলেনিয়ামের খুবই ভালো উৎস। তিন আউন্স [...]

Read more...

সহজে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো খাবারগুলো কি জেনেনিন!!

ওজন কমানোর খাবারগুলো আমাদের পেট ভরে রাখে, ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমে যায়। এই খাবারগুলো পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়ার গতিবেগ বাড়িয়ে দেয়, ফলে শরীরে জমা ক্যালোরিও চটপট পুড়িয়ে ফেলা যায় এবং আমাদের শরীরে ‘চর্বি’(Fat) জমার সুযোগ থাকে না। ওজণ কমানো ছাড়াও, এই খাবারগুলো খুবই পুষ্টিকর এবং আপনার শরীরের ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি পূরণ করে। আপনার শরীর ও মনকে সুস্থ এবং চনমনে রাখে। তাছাড়াও, আপনার ত্বকে আরো জ্যোতি আনে, চুলের গোড়া শক্ত করে। তবে ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার কোনগুলো! জেনে নেওয়ার জন্য পড়তে থাকুন। ওজন কমানোর জন্য সবচেয়ে ভালো অথচ অবহেলিত খাবার নাশপাতি আপনি কি জানেন যে নাশপাতিও আপনার Weight কমিয়ে দিতে পারে? নাশপাতিতে আছে ৬ গ্রাম সলিউবল ফাইবার, যা আপনার কোলেস্টেরল কমায়এবং আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে। একটি নাশপাতিতে থাকে মোটে ১০০ ক্যালোরি, যা কিনা অধিকাংশ ফলেরই ক্যালোরির মাত্রার থেকে কম। মাঠাতোলা দই মাঠাতোলা দই এবং দুধ খেয়েও আপনি আপনার Weight কমাতে পারেন। এই খাবারগুলোও ওজণ কমানোর দাওয়াই হিসেবে তেমন গুরুত্ব পায় না। দইয়ে উপস্থিত ‘উপকারী’(Useful) ব্যাক্টেরিয়া সহজে ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়াও দইয়ে থাকে হজমে সহায়ক প্রো্টিন যা তাড়াতাড়ি আপনার শরীরের ক্যালোরি পুড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্রাউন রাইস বা লাল চাল ওজন কমাতে সাহায্য করে, কারণ এতে কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা কম থাকে, অথচ ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। ব্রাউন রাইস এবং হোল-গ্রেনস আ পনার পেট ভরিয়ে রাখে আর সেই কারণে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয়ে যায় না, ফলে Weight কমতে থাকে। কুমড়ো কুমড়োতে ক্যালোরির মাত্রা থাকে খুবই কম অথচ কুমড়োর পুষ্টিগুণ খুবই বেশি। কুমড়োয় ফাইবারের মাত্রাও বেশ বেশি যা কিনা Weight কমানোর জন্য সহায়ক।কুমড়ো খেলে অনেকক্ষণ পেটভরা থাকে এবং কুমড়োয় বিটাক্যারোটিনও(এক ধরণের ভিটামিন এ) বেশি মাত্রায় থাকে। ‘ওজন’(Weight) কমানোর জন্য দরকারী এই খাবারটিকেও আমরা অবহেলা করে থাকি। আপেল ওজণ কমানোর জন্য খাবারগুলোর মধ্যে সেরা হল আপেল। একটি আপেল খাওয়ার পর অনেকক্ষণ আপনার পেট ভরা থাকে এবং আরো বেশি খাওয়ার লোভ এড়ানো সহজ হয়। আপেল আপনার পরিপাকতন্ত্রের ক্রিয়া বাড়িয়ে দিয়ে হজমশক্তি বাড়িয়ে দেয়। আপেল ‘ভিটামিন’(Vitamins) সমৃদ্ধ এবং ফাইবারের মাত্রাও বেশি। তাই, খোশাসুদ্ধু আপেল খান Weight কমানোর জন্য। দারুচিনি এটি এমন একটি মসলা যা [...]

Read more...

কাঁঠালের যতো গুণ! এই মধুফল না খেয়ে পারা যায়??

কাঁঠালের পুষ্টিগুণ এত বেশি যে বলে শেষ করা যাবে না। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা এবং ভিটামিন ‘এ’, ‘বি’ ও ‘সি’ রয়েছে। কাঁঠাল খেলে থাকে না অপুষ্টির সমস্যা। দূর হয় রাতকানা সমস্যা। এছাড়া বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। পাকা-কাঁচা কাঁঠাল, শিকড় কিংবা কাঁঠালের বীজ, সর্বাবস্থাতেই কাঁঠাল খাওয়া ভালো। কাঁঠাল খেলে মোটা হবারও কোনো ভয় নেই। কারণ এখানে ফ্যাটের পরিমাণ থাকে খুবই কম। কাঁঠালে থাকে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম। যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালে থাকে ৩০৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। বিভিন্ন খনিজ উপাদান যেমন, ম্যাঙ্গানিজ- রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়াম- হাড় মজবুত করে। কমে হৃদরোগের সমস্যাও। কারণ এতে আছে ভিটামিন বি৬। কাঁঠালে ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস নামে একটি উপাদান রয়েছে, যা আলসার, ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা আমাদের শরীরকে ফ্রি র‍্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। যা সর্দি-কাশির সমস্যায় পড়তে দেয় না। কাঁঠাল গাছের শিকড় হাপানি উপশম করে। শিকড় সেদ্ধ করে খেলে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়া দূর করে জ্বর ডায়েরিয়ার মতো অসুখ। সারে চামড়ার সমস্যাও। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যায়। এছাড়া মিটে যায় আয়রনের ঘাটতি। কাঁঠাল খেলে অসুখ বিসুখও হবে কম। তাই নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে খান কাঁঠাল। সুস্থ থাকুন।

Read more...

ওজন কমাতে চান?? রমজানই হতে পারে আদর্শ সময়।

পবিত্র সিয়াম সাধনার মাস হলো রমজান। আত্ম শুদ্ধির পাশাপাশি এ মাসে  হতে পারে শরীর শুদ্ধিও। এজন্য খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে একটু বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। এবার গরমের সময়ে রমজান মাস শুরু হয়েছে, সেই সাথে প্রায় ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থাকতে হবে। তাই অবশ্যই রমজানের খাবার চার্ট তৈরি করতে কিছু বিশেষ দিক খেয়াল রাখতে হবে। অনেকে ইফতারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন, ফলে খুব তাড়াতাড়ি মুটিয়ে যান। সংযমের মাস হলেও দেখা যায় অনেকেই এই মাসে বেশ কয়েক কেজি ওজন বাড়িয়ে ফেলছেন। ইফতারে ভাজা-পোড়া খাওয়াটা হয়েই যায়। তাই খেতে হবে অবশ্যই রয়ে সয়ে যেন ওজন না বাড়ে। বরং আমরা চাইলে সহজেই রমজানে কিছুটা ওজন কমিয়ে আনতে পারি। প্রয়োজন কেবল সঠিক ডায়েট প্ল্যান। প্রয়োজনীয় সকল খাদ্য উপাদান মিলিয়ে তৈরি করতে হবে এই ডায়েট প্ল্যান। সেহরি যেমন হতে পারে- সেহরিতে অতিরিক্ত তেল, লবন ও মশলাদার খাবার পরিহার করা উচিত। এগুলো দেহে পানি স্বল্পতা প্রক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। খাওয়া যেতে পারে ফল, দুধ বা টক দই, সবজি সিদ্ধ, সবজি সালাদ, অল্প ভাত অথবা পাতলা রুটি, ১-২ পিস মাছ অথবা মুরগির মাংস অথবা ১ টি ডিম এবং ডাল। আর পানি খেয়ে নেবেন প্রয়োজনমত। ইফতারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে – – প্রথমে লেবুর অথবা ডাবের পানি দিয়ে ইফতার শুরু করবেন। আর্টিফিশিয়াল রঙ যুক্ত পানীয়, সফট ড্রিঙ্ক একদমই পরিহার করবেন। – খেজুর (১-২ টি) এবং অন্যান্য ফল কলা, আম, শসা, গাজর, আপেল ইত্যাদি খেতে পারেন। অথবা সব ফল দিয়ে আর টক দই দিয়ে একটি সালাদ বানিয়ে খেতে পারেন। এতে শরীরে প্রচুর শক্তি পাবেন এবং ভিটামিন ও মিনারেলস এর ঘাটতি দূর হবে। – এরপর আধা ঘন্টা বিরতি দিনদিন, একবারে সব খাবার খাবেন না। মাগরিবের নামাযের পর খেতে পারেন অল্প মুড়ি, ২টা পিয়াজু, ১টা বেগুনি বা অন্য কোনো খাবার। আর সাথে একটু ছোলা খেয়ে নিবেন প্রচুর সালাদ সহকারে। – খাওয়ার পর সাথে সাথে পানি খাবেন না। অন্তত ২০ মিনিট পর পানি পান করুন। ভাজা পোড়া কিছু খেতে না চাইলে খেতে পারেন চিঁড়া ও দই, সাথে দিতে পারেন ফল। খেতে পারেন কাবাব ও নান রুটি, কিংবা অল্প কোনো চাল জাতিয় খাবার সাথে প্রচুর সালাদ দিয়ে। রাতের খাবারের সম্ভাব্য ধরন হতে পারে [...]

Read more...

রোজার খাদ্যাভাস। কি খাওয়া উচিৎ, কি খাওয়া উচিৎ নয়!!

বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস জনিত কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। সারাদিন রোযা রাখার পর ইফতারিতে অতিরিক্ত ক্যালরি ও তৈল-মসলাযুক্ত খাবারের ফলে এ সমস্যা হয়ে থাকে। তাই এসময় খাবার গ্রহণের দিক থেকে কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। সারাদিন রোযা পালনের ফলে সারাদিনের খাবার একবারে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। অন্যান্য সময় প্রতি বেলায় যতটুকু খাবার খাওয়া হতো রোযার সময়ও তা মেনে চলতে হবে। একজন লোকের সারাদিনে যতটুকু ক্যালরি প্রয়োজন হয় ইফতারিতেই তার সম্পূর্ণটা পূরণ হয় যায়। কেননা ইফতারিতে যেসকল খাবার খাওয়া হয় তার সবগুলোই ক্যালরিবহুল। যেমন – ২৫ গ্রাম ছোলা ভাজা ৯২ ক্যালরি পেঁয়াজু দুটি ১০০ ক্যালরি এক কাপ হালিম ২০০ ক্যালরি ১০০ গ্রামের একটি কাবাব ১৭০ ক্যালরি জিলাপি একটি বড় ২০৩ ক্যালরি এক গ্লাস শরবত ৮০-১০০ ক্যালরি এক কাপ মুড়ি ৬০ ক্যালোরি দুটি খেজুর ১৪৪ ক্যালরি উপরোক্ত তথ্য অনুযায়ী শুধুমাত্র ইফতারিতেই ১১০০ থেকে ১২০০ ক্যালরি আমরা গ্রহণ করি। এত ক্যালরি বহুল খাবার ওজন বাড়ানো ছাড়াও পেটের নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য ইফতারিতে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া উচিত। অনেকে ভাবেন ইফতারিতে বেশি করে খেয়ে সন্ধ্যা রাতে আর খাবেন না। এ ভাবনা ঠিক নয়। এতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের হাইপোগ্রাইসেমিয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। আবার অনেকে ইফতারি খাওয়ার রাত ১ টা ২ টার দিকে খেয়ে শুয়ে পড়েন। সেহরির সময় হলে এক গ্লাস পানি খেয়ে শুয়ে পড়েন। ইসলামিক দৃষ্টিকোণ ও ডাক্তারী মত কোনোটাই এটিকে সমর্থন করে না। সুস্থ্য থাকতে হলে তিন বেলাই খেতে হবে। রোযার দিনে পানিশূন্যতার সমস্যাটি বেশি দেখা দেয়। তাই ইফতারে পানির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শরবত পান করলে সারাদিনের পানিশূন্যতার অভাব দূর হয়। সরবতের উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে হলো কাগজি লেবু, বেল, ফলের রস, স্কোয়াশ, তেঁতুল, দই, চিঁড়া, ইসপগুল ইত্যাদি। ডাবের পানিও শরবত হিসেবে খাওয়া যায়। তোকমা ও ইসপগুলের শরবত বেশ ঠান্ডা। এগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য, অন্ত্র ও পাকস্থলীর প্রদাহ, পেটের গোলমাল ইত্যাদিতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বেলের শরবতও ভালো। এতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-সি রয়েছে প্রচুর। যেকোনো ফলের রস ভিটামিন ও খনিজ লবণের অভাব মেটাতে পারে। ইফতারিতে ডালের তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাবারের আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। যেমন – মটর, ছোলা, বেসন, ডালের বড়া,হালিম প্রভৃতি। [...]

Read more...

বেশি দিন বাঁচতে হলে কম খান

বেশি দিন বাঁচতে, সুস্থ থাকতে সকলেই চান। বেশি দিন বাঁচতে হলে খাওয়া কমাতে হবে। এই কথাটা হেলায় বলেই থাকি। আর মনে করি যতদিন বাঁচি পেটপুরে খেয়ে বাঁচবো। তবে কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আয়ু বাড়াতে চাইল ক্যালরির পরিমাণ কমাতেই হবে। ব্রিগহ্যাম ইয়াঙ্গ ইউনিভার্সিটির বায়োকেমিস্ট্রির অধ্যাপক ও গবেষক জন প্রাইস জানাচ্ছেন, কোষের প্রোটিন উত্পাতনকারী ক্রোমোজোম রাইবোজোম যখন ধীর গতিতে কাজ করে, তখন বয়সের প্রভাবে বুড়িয়ে যাওয়াও ঘটে ধীর গতিতে। রাইবোজোম প্রোটিন উত্পাদনের জন্য কোষের ১০-২০ শতাংশ এনার্জি ব্যবহার করে। আর যখন আমরা কম ক্যালরি গ্রহণ করি, তখন রাইবোজোমের প্রোটিন উত্পাদনও ধীর গতিতে হয়। ফলে রাইবোজোম নিজের ক্ষতিপূরণের জন্যও সময় বেশি পায়। বয়স ধরে রাখার জন্য রাইবোজোমের ক্ষতিপূরণ অত্যন্ত জরুরি। এই গবেষণার জন্য দু’দল ইঁদুর নিয়ে পরীক্ষা করেন প্রাইস ও তাঁর দলের গবেষকরা। একদলকে প্রচুর পরিমাণ খাবার দেওয়া হয়। অন্যদলকে ৩৫ শতাংশ কম খাবার দেওয়া হয়। যদিও সব রকম পুষ্টির জোগান রাখা হয়। প্রাইস বলেন, ‘‘যখন ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয় তখন শরীরে যে রাসায়নিক পরিবর্তন হয় তা বুড়িয়ে যাওয়ার হার কমিয়ে দিতে পারে। গবেষণার সময় যে ইঁদুরদের কম ক্যালরি দেওয়া হয়েছিল তারা অন্যদলের তুলনায় যেমন অসুস্থ কম হয়েছে, তেমনই তাদের এনার্জিও বেড়েছে। তারা বেশি দিন পর্যন্ত সুস্থ ভাবে বেঁচেছে।’’ এই গবেষণার ফল মলিকিউলার অ্যান্ড সেলুলার প্রোটিওমিকস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

Read more...