Skin Care

নিজেকে সুন্দর রাখতে চান? জেনে নিন সহজ উপায়!!

মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যর পূজারী। সৌন্দর্য আমাদের ব্যক্তি জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি সুন্দর এই কথাটি চিন্তা করতে কার না ভালো লাগে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্যই আমাদের সৌন্দর্য টিপসগুলো কাজে লাগবে আশা করি। আসুন জেনে নেই নিজেকে সুন্দর রাখার সহজ উপায়গুলো। টিপস ০১ : শসার রসের সাথে কর্ণফ্লাওআর বা লাল আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন। বিশেষ করে গলা ও মুখে ব্যাবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা দারুন বাড়বে। টিপস ০২ : আমলকী খেলে মুখের রুচি বাড়ে, চুল পড়া বন্ধ হয় এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে। আর আমলকীর গুঁড়া ও তিলের তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে যেমন শুষ্ক ত্বক কোমল হবে তেমনি ত্বক ফর্সাও করবে। আবার চুলে আমলকীর রস ১ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের অকালপক্বতা দূর হবে। টিপস ০৩ : কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন। চলে যাবে ।  টিপস ০৪ : প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়? ব্যাপার না, নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান।  টিপস ০৫ : – মেথি বাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করুন। – ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। – অতিরিক্ত খুশকি কমাতে মাথায় তেল দেওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখুন। অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে এক দিন পর পর চুল পরিষ্কার করুন। – টক দই ও মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন।

Read more...

শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক দূর করুন সহজ ১০ টি উপায়ে!!

ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগগুলো দেখা যায়। মূলত এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান? ১.  গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ২.  ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে। ৩.  প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন। ৪.  শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। ৫.  ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে। ৬.  চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। ৭.  এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি। ৮.  ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৯.  এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর [...]

Read more...

মেকাপ তোলার সহজ পদ্ধতি!!

আগের রাতে পার্টি ছিলো। পার্টিতে অসাধারণ সেজে আপনি সবার নজর কেড়েছেন, অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন। তাই আনন্দচিত্তে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়লেন। কিন্তু পরদিন সকালে আয়নার সামনে দাড়িয়ে আপনার আনন্দ উধাও তো হলই, মনটাও খারাপ হয়ে গেল। কারন, মুখভর্তি ব্রণ উঠেছে। অনেকেই পার্টি মেকাপ নেয়ার পর এই ধরণের সমস্যায় ভোগেন। । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! মুখ ধোয়ার কথা আবার বলে দিতে …হয় না কি! তাদের জন্য বলছি আমরা হয়তো ঠিকই পার্টি থেকে ফিরে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুই, কিন্তু মেকাপ তোলার সঠিক নিয়ম না জানার জন্যে বিরক্তিকর ব্রণ যন্ত্রণায় পড়ি। চলুন জেনে নিই পার্টি মেকাপ তোলার সঠিক পদ্ধতিটি। প্রথম ধাপে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। অনেকেই প্রথমে মেকাপ রিমুভার দিয়ে মেকাপ তোলার চেষ্টা করেন।কিন্তু মেকাপ রিমুভার ব্যাবহারের আগেই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নেয়াটাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। দ্বিতীয় ধাপে তুলো তে মেকাপ রিমুভিং লোশন নিয়ে ধীরে ধীরে মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর আর এক টুকরো তুলো দিয়ে মাসাজ করে করে মুখের মেকাপ তুলে ফেলুন। চোখের মেকাপ তোলার জন্য যদি হাতের কাছে আলাদা করে আই মেকাপ রিমুভার না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ভ্যাসলিন বা অন্য কোন পেট্রোলিয়াম জেলি তুলোতে নিয়ে চোখের মেকাপ তুলে নিতে পারেন। মেকাপ তোলার পর ত্বকে টোনার লাগান। টোনার ব্যাবহারের সময় লক্ষ রাখবেন টোনারটি যাতে অবশ্যই আপনার ত্বকের উপযোগী হয়। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাদের জন্য টোনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতের কাছে টোনার না থাকলে এর পরিবর্তে শসার রসে মধু মিশিয়েও ব্যাবহার করতে পারেন। এবার চোখের চারপাশে আইক্রিম মাসাজ করে নিন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ত্বককে কালো ছোপ এবং ভাঁজ পড়ে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। সবশেষে আপনার মুখে ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মাসাজ করুন। পার্টি থেকে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে এসে ঘুমোতে যাবার আগে অতি অবশ্যই আপনার মুখ ভালোভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করতে কিছুতেই ভুলে যাবেন না। অনেক সময় আমরা বাইরে থেকে ফিরে অলসতা করি অথবা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি একটু সচেতন হই তাহলেই অবাঞ্ছিত ব্রণের হাত থেকে মুখের ত্বককে খুব সহজেই রক্ষা করতে পারি।

Read more...

নিখুঁত ত্বকের জন্য রাতে যে ২টি ফেসিয়াল মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন!!

কাঠ ফাটা রোদ আর একটু পরই বৃষ্টি। দুয়ে মিলে আবহাওয়া হয়ে উঠেছে অস্বস্তিকর। না ভালো করে গরম যাচ্ছে না একটু ঠাণ্ডা হচ্ছে পরিবেশ। এই সময়টায় ত্বক আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে চলতে যেয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা, কালো ছোপ দাগ ইত্যাদির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সকলেই সমাধান খুঁজছেন। অনেকে ভরসা করেন বাজারের ত্বকের প্রোডাক্টের ওপর। কিন্তু কেমিক্যালে ভরপুর এই প্রোডাক্টগুলোর চাইতে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক জিনিসের ওপর। ঝলমলে উজ্জ্বল এবং সমস্যাবিহীন ত্বক পেতে সারাদিন শেষে রাতে একটু সময় বের করে নিন ত্বকের যত্ন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল রাতে ব্যবহারের ২ টি ফেসিয়াল মাস্ক যা দূর করবে ত্বকের সমস্যা। চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েলের ফেসিয়াল স্ক্রাব সব ধরনের ফেসিয়াল স্ক্রাবের মধ্যে এই স্ক্রাবটি সবথেকে ভালো। কারন এই স্ক্রাবটির উপাদান অনেক সহজলভ্য এবং প্রাকৃতিক বলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এবং এর কার্যকারিতা অনেক বেশি। অলিভ অয়েল ত্বককে কোমল করে ও চিনি ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ দূর করে। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে আপনার লাগবে চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল। ২ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ২ চা চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের তালুতে নিয়ে মুখের ত্বকে হালকাভাবে ঘষে লাগান। মুখে এই মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। ত্বকের উজ্জলতার পরিবর্তন আপনি নিজেই দেখতে পাবেন। কলা এবং দইয়ের ফেসিয়াল মাস্ক কলা খেতে যতটা সুস্বাদু ততোটাই উপকারি। কলা প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের কোমলতার জন্য একটি অসাধারন উপাদান। অন্যদিকে দই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সব সময়ের জন্যই উপকারি। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে ১ টি কলা, ১ চা চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ দুধ ও ২ চা চামচ টকদই। প্রথমে একটি বাটিতে কলা নিয়ে চামচের মাধ্যমে ম্যাশ করুন। এরপর এতে ২ চা চামচ দই নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে মধু ও দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি আলতো ঘষে ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণটি ত্বকে থাকতে দিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে ফেলুন। [...]

Read more...

মুখের কালো দাগ দূর এবং ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু ঘরোয়া উপায়…

“ত্বক ফর্সা করতে ফেয়ারনেস ক্রিম কতই তো ব্যবহার করলাম। কই কোনো তো কাজ হলো না।” এমন আফসোস শোনা যাই অনেকের মুখে। কিন্তু আমরা যদি ঘরে একটু সময় দিয়ে হারবাল উপায়ে ত্বকের সামান্য একটু যত্ন নি তাহলেই কিন্তু আমাদের ত্বক অনেক খানি সুন্দর হয়ে উঠবে। আজ আপনাদের জানাব সহজ ও ঘরওয়া পদ্ধতি তে ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু টিপস: ✏ প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য মসুর ডালের বেসন, মধু ও সামান্য তিলের তেলের মিশ্রণ বেশ উপযোগী। রোদে পোড়া ভাবও দূর হবে। ✏ মধু, কাঁচা হলুদ, দুধ ও তিলের তেল চুলায় অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ✏ বেসন-দই, লেবুর প্যাক: ২ চামচ আটা, মসুরির ডাল বাটা অথবা বেসন নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মেশান৷ এবার ওর মধ্যে দই মিশিয়ে প্যাকটাকে গাঢ় করে নিন৷ মুখে, ঘাড়ে ভালো করে ঐ প্যাকটা লাগান৷ ২০ মিনিট রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ত্বকের চমক বাড়বে৷ ✏ ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে মুখে, গলায় ও হাতে টমেটোর রস লাগান। শুকিয়ে গেলে আরো একবার লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না। ✏ পাতিলেবুর রস, নিমপাতার রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ✏ কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন। ✏ দই এবং ময়দা মিশিয়ে মাখলেও ত্বকের কালো ছোপ তুলতে সাহায্য করে কলা পেস্ট করে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের কালো দাগ দূর করার কিছু টিপস: ✏ মুখের কালো দাগ দূর করতে আপনি মধু , লেবু, গোলাপ ফুলের পাতা অনেক কার্যকর। এক সাপ্তাহের মাঝেই আপনি তার ফলাফল পাবেন। এই উপাদান গুলি আপনি পেস্ট করে এক সাপ্তাহ ফেইসে লাগাবেন দেখবেন অনেক ভাল লাগবে। ✏ একটি ডিমের কুসুমের সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল আর ৩ ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তারপর মুখে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে প্রথমে হালকা গরম পানি তারপর ঠাণ্ডা [...]

Read more...

রোদে পোড়া ত্বকের জন্য চটজলদি ৫টি ঘরোয়া টিপস!!

জৈষ্ঠ্যের তীব্র দাবদাহ শুরু হয়েছে। বৃষ্টির দেখা নেই বললেই চলে। কিন্তু তাই বলে তো ঘরে বসে থাকলে চলে না। নানা কারণে প্রতিদিন বাসার বাইরে বেরুতেই হয়। আর সেকারনে মুখে ছোপ ছোপ কালো দাগ পড়ে যায় সহজেই। আর ত্বকের রঙও হয়ে আসে কালচে। এগুলো রোদের তীব্র অতিবেগুনী রশ্মির কারণে হয়ে থাকে। এর যত্ন যদি আপনি এখনই না নিয়ে থাকেন তবে এগুলো আপনার ত্বকে স্থায়ীভাবে বসে যেতে পারে। তাই খুব সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে নিন রোদে পোড়া কালো দাগ থেকে মুক্তি পেতেঃ ১। লেবুর রসঃ পুরো মুখে লেবুর রস ও সমপরিমাণ মধু মেখে ৫-১০ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এ কাজটি করার চেষ্টা করুন। লেবুর প্রাক্রিতিক ব্লিচিং উপাদান আপনার ত্বককে আগের উজ্জ্বলতায় ফিরিয়ে আনবে আর মধু করবে ময়েশ্চারাইজারের কাজ। সুতরাং রোদে পোড়া দাগ মিলিয়ে গিয়ে আপনার ত্বক হয়ে উঠবে আগের মতই উজ্জ্বল বা তার চেয়েও সুন্দর। ২। টকদইঃ রোদে পোড়া দাগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাবার জন্যে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সারা মুখে টকদই লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। এর কার্যকরী ব্লিচিং উপাদান প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার রোদে পোড়া দাগ সারিয়ে তুলবে। কিছুদিনের মধ্যেই আপনি আপনার ত্বকের লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন। ৩। এলোভেরাঃ এলোভারা আপনার ত্বককে দেয় ঠান্ডা অনুভূতি আর সেই সাথে সতেজ করে তুলতেও এর জুড়ি নেই। প্রতিদিন যদি স্রেফ ১০ মিনিটের জন্যে আপনার ঘাড় গলায় ও মুখে এলোভেরার রস লাগিয়ে রাখতেপারেন এটা কেবল রোদে পোড়া কালো কালো ছোপ থেকেই আপনাকে মুক্তি দেবে না বরং ত্বকে বাড়তি আর্দ্রতা যুগিয়ে বলিরেখা রোধ করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করবে বহুদিন। ৪। টমেটোঃ রোদে পোড়া দাগ থেকে সব চেয়ে ভালো উপায় হল টমেটো। টমেটো ভালোভাবে পেস্ট করে ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা টমেটোর পেস্ট ১৫-২০ মিনিট ত্বকে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ব্যস, খুব জলদিই মুক্তি পাবেন রোদে পোড়া দাগ সহ পুরোনো ব্রনের দাগ থেকেও। ৫। আলুঃ আলু রূপচর্চায় এবং ত্বকের দাগ দূর করতে বেশ কার্যকর। যদিও অন্যান্য উপাদানের চেয়ে এটি কাহ্নাইকটা বেশী সময় নেয়। আলু ভালোভেবে ব্লেন্ড করে রস বের করে নিন। তুলোর সাহায্যে পুরো মুখে লাগিয়ে নিন। প্রতিদিন ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন পর দাগ কমে আসবে। ৮। কাঁচা পেঁপেঃ কাচা পেঁপের [...]

Read more...