Use Turmeric to reverse your health!

Turmeric brings some spectacular health advantages to the table. Here’s why you must eat it a lot of often—and some delicious ways that to try and do so. Yellow on the road sometimes suggests that caution. However, once it involves your diet, the colour yellow ought to imply full steam ahead. In recent years, there has been lots of buzz about the goldenrod spice turmeric, each from a health perspective and additionally as how to infuse meals and drinks (hello, golden milk!) with a lot of flavors. Indeed, turmeric is ought to have this praise. Long a kitchen staple in India, turmeric, that is that the stem of a tropical plant has gained the attention of late among researchers WHO believe that eating it frequently might cause many health advantages. that is because of turmeric’s fingertip-staining, deep-yellow color comes courtesy of a potent phytochemical known as curcumin. Curcumin, and so turmeric, has been coupled to many positive health benefits: It’s been shown to enhance mood and to doubtless increase attention and psychological feature operate in aged populations. It’s been shown to keep up epithelium operate (heart health associated function) once paired with an aerobic exertion program in girls. It has positive effects on vessel operate inside the body and should facilitate to scale back fat-cell differentiation (growth of latest fat cells). See additional Yellow In Your Diet Keep in mind that several studies up to now examining the health-boosting powers of turmeric have used animals or test tubes (though the benefits mentioned higher than are backed by studies in humans) at supplement levels not continually simply obtained through diet alone. Still, adding further turmeric to your diet definitely can’t hurt. Turmeric is on the market in 2 forms: as a fresh root or as a ground powder made up of dried turmeric roots. Here are only ways that to use each form to feature healthy color and flavor to your daily eating. Stir turmeric powder or grated fresh turmeric [...]


Onion can Helps your Hair Growth

Many people face the matter of hair loss. tho’ losing 50-100 hairs per day is considered as traditional, losing hair cause concern and mental stress in individuals. Moreover, acute hair loss will have an effect on the looks of someone and affects their confidence levels. There square measure several natural remedies that are capable of causation proper hair growth and therefore the most significant and effective among them is Onion juice. Safe And Natural Method It is fully safe to use onion for preventing hair loss and promoting hair growth as onion helps in hair growth with none side effects or inflicting allergies. there’s no have to be compelled to use harsh chemicals on your hair once you have a simply offered, low cost and safe technique for promoting hair growth. you’ll use onion as a natural remedy if you’ve got receding hairline or bald patches. you will not be ready to get a constant result once you elect hair loss treatment from expensive hair spas. Can Onion help In Hair Growth? Most of the people are skeptical concerning the utilization of onion for hair growth. Most of you may be thinking will onion help in hair growth? The scientific studies on natural remedies for hair loss has well-tried that applying onion juice and intense onions is useful in dominant hair loss and alternative issues associated with hair like dandruff, fungal infections and yeast infections. it’s been found that onion juice is additionally effective in preventing premature graying of hair. Onion to Grow Hair Faster To achieve hair growth with the help of onion juice you would like to extract the juice of the onions and apply it on the scalp totally. Though the juice contains a pungent smell, the remedy is very effective in achieving the results you would like. You need to stay the juice on the scalp for a minimum of a half-hour. Able to keep it for extended if you may be able [...]


পিত্তথলিতে পাথর?

পিত্তথলিতে পাথর হওয়া খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। চারপাশের অনেকেরই কাছ থেকে এই অভিজ্ঞতা শোনা যায়। এই পাথর কি সত্যি সত্যি পথের কুড়িয়ে পাওয়া নুড়ি পাথরের মতো, নাকি অন্য কিছু? আর কীভাবেই বা সন্দেহ হবে যে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে আপনার? পাথর আসলে কী? পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথরটা তৈরি তার ওপর। কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙেরও হতে পারে। পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার দিকে থাকে পিত্তথলি। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে এই পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ অতিরিক্ত জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে। কাদের হয় বেশি? স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কীভাবে বুঝবেন? পিত্তথলির অবস্থানটা পেটের কোথায় তা আগেই বলা হয়েছে। পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়, যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন ওপর পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। মিনিট খানেক হতে ঘণ্টা খানেক স্থায়ী হতে পারে এই ব্যথা। পেটের পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের ভেতরও ছড়িয়ে পড়তে পারে ধীরে ধীরে। সেই সঙ্গে বমি ভাব বা বমি, হালকা জ্বর ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বোরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি পেটের আলট্রাসনোগ্রামই যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা বা এমনকি হূদেরাগেও কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেওয়া দরকার হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে কাটিয়ে উঠুন পিত্তথলির পাথরের সমস্যা আমরা চাইলে প্রাকৃতিকভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি। [...]


ষ্ট্রোক কি? এর লক্ষণ ও চিকিৎসা জেনে নিন

হার্টের করনারী আর্টারি ব্লক হয়ে গেলে হার্টের পেশী ঠিক মত চলতে পারে না। হার্ট অ্যাটাকে হার্টের কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেটা থেকে স্ট্রোক হতে পারে। ষ্ট্রোক হয় ব্রেনে। এটা আরো ভয়াবহ কারণ ব্রেনে রক্ত সঞ্চালনকারী ধমনীতে রক্ত জমে গেলে স্ট্রোক হয়। ফলশ্রুতিতে ব্রেন কার্যকারিতা হারাতে থাকে। ষ্ট্রোক  এর প্রকারভেদ ষ্ট্রোক চার প্রকার 1. সাকশন 2. কপ্রেশন 3. পাওয়ার 4. এ্যাগজষ্ট ষ্ট্রোক গুলোর বর্ণনা সাকশন ষ্টোকঃ সাকশন ষ্ট্রোকে পিষ্টন TDC হতে BDC এর দিকে নামিতে থাকে ফলে সিলিন্ডারের মধ্যে বায়ু শন্যতা বা ভ্যাকুয়ামের সৃষ্টি হয়। ফলে ইনটেক ভালভ্‌ দিয়ে সিলিন্ডারের এয়ার ফুয়েল মিক্সার প্রবেশ করে। কম্প্রেশন ষ্ট্রোকঃ এই ষ্টোকে পিষ্টন BDC হতে TDC এর দিকে উঠতে থাকে। এই সময় ইনটেক ও এ্যাগজষ্ট ভালভ্‌ বন্ধ থাকে। এয়ার ফুয়েল মিক্সার সিলিন্ডার হইতে বাহির হইতে পারে না পিষ্টন যতই TDC তে যাইতে থাকে মিক্সার ততই সংকুচিত হইতে থাকে। পাওয়ার ষ্ট্রোকঃ এই ষ্টোকে পিষ্টন TDC হইতে BDC তে যায়। কম্প্রেশন ষ্ট্রোকের শেষে স্পার্ক প্লাগের স্পার্কের ফলে এয়ার ফুয়েল মিক্সাকে বিস্ফোরন ঘটে প্রচন্ড তাপীয় শক্তির সৃষ্টি হয়। সিলিন্ডারের ভিতর পিষ্টনের উপর প্রচন্ড ধাক্কার সৃষ্টি ইয় এবং পিষ্টন TDC হইতে BDC এর দিকে ধাবিত হয়। তখন উভয় ভাল্ব বন্ধ থাকে। এ্যাগজষ্ট ষ্ট্রোকঃ পাওয়ার ষ্ট্রোক শেষে এ্যাগজষ্ট স্ট্রোক সংগঠিত হয়।পাওয়ার ষ্টোকের শেষে পিষ্টন BDC তে পৌছার ৪৫ডিগ্রী পূর্বে এ্যাগজষ্ট ভালভ্‌ খোলার সংগে সিলিন্ডারের সম্পূর্ণ পোড়া গ্যাস বাহির হয়ে যায়। ষ্ট্রোক চেনার ৭ টি লক্ষণ ১/মস্তিষ্ক: এক সাথে কয়েকটি লক্ষণের মাধ্যমে ষ্ট্রোক প্রকাশ পেতে পারে । ষ্ট্রোক হওয়া মানুষদের মধ্যে শতকরা পাঁচজনেরই হাত-পা অবশ বা মুখ বাকা হয়ে যেতে দেখা যায়। এমনটা ষ্ট্রোক শনাক্ত করার একটি মক্ষম লক্ষন, বলেন ফ্রাইবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিকের নিউরোলজিস্ট প্রফেসার ডা. কর্নেলিউস ভাইলার। ২/কথা জড়িয়ে যাওয়া: মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া কোনো কারণে বাধাগ্রস্থ হলে মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ নষ্ট হয়ে যায়। একেই স্নায়ুরোগ বা স্ট্রোক বলে। হঠাৎ করে যদি কখনও কথা জড়িয়ে যায় বা একটি বাক্য পুরো বলতে কষ্ট হয় অথবা রোগী যা বলতে চাইছে তা বোঝা না যায়, তবে সেটা স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। সাধারণত স্ট্রোকের লক্ষণগুলো শরীরের একাংশেই হয়ে থাকে। ৩/হঠাৎ করে ভু লেযাওয়া: কেউ কিছু বলতে চাইছেন, কিন্তু বলার মুহূর্তে আর মনে করতে পারছেন না। বা কথা বলার সময় হঠাৎ করেই [...]


উচ্চ রক্তচাপ? সাবধান!

ঘরে ঘরে উচ্চ রক্তচাপ যেন গা সওয়া ব্যাপার। প্রেসার বেড়ে মাথা ঘুরল বা ঘাড়ে ব্যথা শুরু হল, তখন পাড়ার ওষুধের দোকানে প্রেসার মাপিয়ে বা স্থানীয় ডাক্তার দেখিয়ে কয়েক দিন ওষুধ খেয়ে প্রেসার নিয়ন্ত্রণে আনা হল। প্রেসার যখন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, তখন আর খামকা ওষুধ খাওয়ার দরকার কী? অতএব, বন্ধ হল প্রেসারের ওষুধ! রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার নিয়ে ধারণাটা বহু বাড়িতেই অনেকটা এই রকম! তা হলে কী করবেন? এবং কী করবেন না? মারাত্মক সব রোগ ডেকে আনতে উচ্চ রক্তচাপের জুড়ি নেই। রক্তস্রোত রক্তনালীর দেওয়ালে যে চাপ সৃষ্টি করে সেটিই রক্তচাপ। স্বাভাবিক অবস্থায় এর পরিমাপ ১২০/৮০। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে রক্তচাপ খানিক বাড়তে থাকে। তখন এই পরিমাপের থেকে আর একটু বেশি চাপকেও স্বাভাবিক বলে ধরা হয়। কিন্তু ওপরের চাপ ১৪০-এর বেশি বা নীচের চাপ ৯০-এর বেশি হয়ে গেলে মুশকিল। রক্ত চাপ দু’ভাবে বাড়তে পারে। অ্যাকিউট আর ক্রনিক। হঠাৎ কোনও উত্তেজনার বশে বা অন্য কোনও কারণে দুম করে রক্তের চাপ খুব বেশি বেড়ে গিয়ে বিপত্তি ঘটতে পারে। এটি অ্যাকিউট হাই ব্লাড প্রেসার। এতে আচমকা হার্ট ফেলিওর হতে পারে। স্ট্রোকও হতে পারে। ক্রনিক হাই ব্লাড প্রেসারের ক্ষেত্রে চাপের পরিমাপ হয়তো হঠাৎ করে খুব বেশি থাকে না। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে রক্তের উচ্চচাপ পুষে রাখার জন্য হার্টের পেশির ক্ষতি হতে পারে। কারণ, বেশি রক্ত পাম্প করতে হার্টের ওপর বেশি চাপ পড়ে। তা ছাড়া অনেক দিন ধরে রক্তচাপে ভুগলে রক্তনালীগুলো শক্ত হয়ে যায়। সেগুলোর স্থিতিস্থাপকতা কমে যায়। রক্তনালীর ভেতরের দেওয়াল মোটা হয়ে যায়। ফলে ব্লক তৈরি হয়। সব মিলিয়ে হার্ট ফেলিওর বা হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায়। আবার রক্তনালীতে ‘ব্লক’ তৈরি হওয়ার জন্য বা বেশি রক্তচাপের কারণে নালীর মধ্যে রক্ত দলা পাকিয়ে যেতে পারে। সেই দলা বা ক্লট মাথায় পৌঁছে স্ট্রোক হতে পারে। আবার রক্তের চাপ সহ্য করতে না পেরে কোনও ধমনি ছিঁড়ে গিয়েও স্ট্রোক হতে পারে। অতএব, রক্তচাপ পুষে রাখার মাসুল হতে পারে মারাত্মক! উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ এমনতি এর তেমন কোনও লক্ষণ নেই। তাই তলে তলে যে রক্তের চাপ বেড়ে গিয়েছে, এটা অনেকেই টের পান না। এ জন্য ৩৫ বছরের পর থেকে মাঝে মাঝেই ব্লাডপ্রেসার মাপা দরকার। আর দীর্ঘ দিন ধরে রক্তচাপের সমস্যায় [...]