Beauty Tips

চুল ঘনকালো ও লম্বা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে!

বেশ কয়েক বছর আগেও দেখা যেত মেয়েরা এই মোটা বেণী করে বাইরে যাচ্ছে। আর আমাদের মা খালাদের তো সব সময়ই দেখে এসেছি লম্বা বেণীতে বা বিশাল খোঁপায় নিজেদের সাজাতে। কিন্তু সময় পাল্টেছে। চারিদিকের দূষণ, ব্যস্ত জীবন যাত্রায় যত্নের অভাব, নানা রকম চুলের সাজ করতে গিয়ে কেমিক্যালের ব্যবহার করতে করতে অনেকেই যে সমস্যায় পড়েছেন চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। আগে হয়তো ঠিকই ঘন চুল ছিল, কিন্তু এখন আর নেই। অনেকের আবার কোন অসুস্থতার কারণে চুল পড়ে পাতলা হয়ে গিয়েছে। তাই চুল সাজাতে গেলেই এখন দরকার পড়ে আর্টিফিশিয়াল হেয়ার এর। অথবা কেউ কেউ আবার অনেক টাকা খরচ করে দামি শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ট্রাই করেই যাচ্ছেন, কিন্তু আশানুরুপ ফল পাচ্ছেন না। আজ তাই বলব বেশ কিছু জিনিসের কথা যেগুলো রয়েছে আপনার কাছেই, দাম ও সাধ্যের নাগালে সেই সাথে নেই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।   (১) অ্যালোভেরা অ্যালোভেরার গুণের নেই কোন শেষ। চুলের যত্নে এটি অনেক বেশি কার্যকরী। ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি আপনাকে ফিরিয়ে দেবে ঘন ও উজ্জল চুল। এটি চুলের ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ময়েশ্চার যোগায়। অ্যালোভেরার জেল বের করে সরাসরি চুলে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা সময় দিন শুকাতে। তারপরে শ্যাম্পু করে নিন। এটি হেয়ার ফল কন্ট্রোল করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে। সেই সাথে চুল ও হয়ে উঠবে উজ্জ্বল। নিয়মিত করলে লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়বে অল্প কিছু দিনেই। (২) ডিম চুল ঘন করার পাশাপাশি আপনি যদি চুল লম্বা করতে চান তাহলে চুলের প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন ডিম। ডিমের এই প্যাক প্রোটিন ট্রিটমেনট হিসেবে কাজ করবে ও চুল করবে শক্ত। চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী একটি বা দুটি ডিম ভেঙে ফেটে নিয়ে চুলে লাগান। ডিমের গন্ধ বেশি খারাপ লাগলে, সাথে কোন একটা সুগন্ধি তেল মেশাতে পারেন। পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভালোভাবে শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ২ বার করলে মাস খানেকের মধ্যেই চুলে লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে। (৩) মেথি চুলের যত্নে মেথির ব্যবহার অনেক পুরনো। রান্না ঘরেই পেয়ে যাবেন চুলের যত্নের এই অসাধারণ উপকরণ। মেথি একরাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ভালোভাবে বেটে নিয়ে চুলের গোঁড়ায় লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টার মত। তারপরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ঘন তো করবেই [...]

Read more...

হৃদরোগে সবসময় বুকে ব্যথা হয় না!!

হার্টের সমস্যা হলে তো বুকে ব্যথা করত! কই, আমার তো কোনো বুকে ব্যথা ছিল না। অনেক হৃদ রোগী এ প্রশ্ন তোলেন। কথা ঠিক। করোনারি আর্টারি ডিজিজে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিগুলোতে চর্বি জমে, ফলে কমে যায় হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ। একটু পরিশ্রম করলে, সিঁড়ি ভাঙলে শুরু হয়ে যায় ব্যথা। এই ব্যথা সাধারণত হয় বুকের মধ্যখানে, চাপ দিয়ে ধরে থাকে, পরিশ্রম করলে বাড়ে, বিশ্রাম নিলে আবার কমে। তবে মনে রাখবেন, অনেক মানুষেরই এই ধরনের ব্যথা বা উপসর্গ নাও থাকতে পারে। এমনও হতে পারে যে আপনার হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনিগুলো বিপজ্জনকভাবে বন্ধ বা ব্লক হয়ে আছে, কিন্তু আপনার কোনো দিনই বুকে ব্যথা হয়নি। আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকের পরই শুধু তা ধরা পড়ল।   এই সমস্যা বেশি হয় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের। ডায়াবেটিসের কারণে তাঁদের জটিলতা দেখা দেয়, ফলে উপসর্গগুলো ঠিকমতো টের পাওয়া যায় না। সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাকও তাঁদেরই বেশি হয়। বুকে ব্যথা ছাড়া অন্য রকম উপসর্গ নিয়ে নারীদের হৃদ্‌রোগ বেশি ধরা পড়ে। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এমন ওষুধ খান, যা অটোনমিক নার্ভাস সিস্টেমকে দাবিয়ে রাখে, তাঁদেরও উপসর্গ নাও থাকতে পারে। যাঁরা সব সময় ভারী ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটিতে অভ্যস্ত, তাঁদের মূল ধমনি ব্লক হওয়ার পরও আশপাশের রক্তনালিগুলো সক্রিয় থাকে ও হৃদ্‌যন্ত্রে রক্ত সরবরাহ চালিয়ে যায়। এ কারণে তাঁদেরও অনেক সময় পরিশ্রমে বুকে ব্যথা হয় না।   বুকে ব্যথা ছাড়াও হৃদ্‌রোগের আরও উপসর্গ আছে। এগুলোকে অবহেলা করবেন না। যেমন, পরিশ্রমে প্রচুর ঘাম হওয়া ও অস্বস্তি বোধ হওয়া। ফিটনেস লেভেল কমে যাওয়া। বাম হাত, চোয়াল, ঘাড় এমনকি পিঠে ব্যথা নিয়েও হৃদ্‌রোগ দেখা দিতে পারে। গ্যাস্ট্রিকের ব্যথার মতো অনুভূতি, বুক জ্বালা, বুক-পেটের মধ্যবর্তী এলাকায় ব্যথা—এগুলোও ফেলনা নয়। বমি ভাব বা বমিও হতে পারে উপসর্গ। মাথা হালকা বোধ হওয়া, ঝিমঝিম করা, রক্তচাপ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা নিয়ে হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়তে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যাকেও আমলে নিন।     ডা. শরদিন্দু শেখর রায় হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ, জাতীয় হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল সোর্স – প্রথম আলো

Read more...

নিজেকে সুন্দর রাখতে চান? জেনে নিন সহজ উপায়!!

মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যর পূজারী। সৌন্দর্য আমাদের ব্যক্তি জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি সুন্দর এই কথাটি চিন্তা করতে কার না ভালো লাগে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্যই আমাদের সৌন্দর্য টিপসগুলো কাজে লাগবে আশা করি। আসুন জেনে নেই নিজেকে সুন্দর রাখার সহজ উপায়গুলো। টিপস ০১ : শসার রসের সাথে কর্ণফ্লাওআর বা লাল আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন। বিশেষ করে গলা ও মুখে ব্যাবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা দারুন বাড়বে। টিপস ০২ : আমলকী খেলে মুখের রুচি বাড়ে, চুল পড়া বন্ধ হয় এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে। আর আমলকীর গুঁড়া ও তিলের তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে যেমন শুষ্ক ত্বক কোমল হবে তেমনি ত্বক ফর্সাও করবে। আবার চুলে আমলকীর রস ১ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের অকালপক্বতা দূর হবে। টিপস ০৩ : কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন। চলে যাবে ।  টিপস ০৪ : প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়? ব্যাপার না, নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান।  টিপস ০৫ : – মেথি বাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করুন। – ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান। – অতিরিক্ত খুশকি কমাতে মাথায় তেল দেওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখুন। অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে এক দিন পর পর চুল পরিষ্কার করুন। – টক দই ও মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন।

Read more...

নখের যত্নে ঘরোয়া কিছু টিপস

আমাদের হাত ও পায়ের সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ নখ। সুন্দর নখ হাতকে যেমন করে আকর্ষনীয় তেমন পা’কে করে মনকাড়া। পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। ঝাঁ তকতকে, ঝকঝকে, আকর্ষনীয়, সুন্দর নখ কার না পছন্দ। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া। সময় কিংবা অর্থের কারণে যারা পার্লারে গিয়ে নখের পরিচর্চা করতে পারেন না তারা ঘরে বসেই নিতে পারেন যত্ন।  তাই আসুন জেনে নেই নখের যত্নের কিছু করণীয়। বাড়িতে যেসব উপকরণ আছে সেসব উপকরণ দিয়ে সেরে নিতে পারেন মিনিকিওর পেডিকিওর। প্রথমে আপনি হালকা কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ, সামান্য শ্যাম্পু, ও লেবুর রস দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন হাত ও পায়ের নখ। এরপর যেকোনো ব্রাশ দিয়ে নখ গুলো ঘুষে নিন। ঠাণ্ডা  পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর নেইল কাটার দিয়ে আপনার পছন্দ মত সাইজ করে নখ কেটে নিন। তবে নখ সমান করে কাটুন কারন উচু নিচু করে কাটা নখ সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এরপর যেকোনো ময়শ্চারাইজিং লোশন দিয়ে ম্যাসাস করুন ৫ মিনিট । এতে আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এক সপ্তাহের বেশি নখে নেইল পলিস রাখবেন না।নেইল পলিস উঠাতে কোন ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না। সেক্ষেত্রে রিমুভার ব্যবহার করেন। অন্তত ৩-৪ দিন ব্যবধানে নখে নেইল পলিস ব্যবহার করুন। নেইল পলিস ব্যবহারে সচেতন হউন।অতিরিক্ত নেইল পলিস ও রিমুভার আপনার নখ গুলো কে ড্রাই করে এবং নখের প্রাকৃতিক কালার নষ্ট করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখে অলিভ অয়েল ও ভেসলিন লাগিয়ে ঘুমান। এতে আপনার নখ শক্ত হবে এবং নখের হলুদ ভাব দূর হবে। দাঁত দিয়ে অনেকের নখ কাটার অভ্যাস থাকে। এটি অবশ্যই ত্যাগ করুন। অনেক সময় সবজি কাটতে হাতে কালো দাগ হয়। সেক্ষেত্রে কাটা লেবু ঘুসুন , এমনি পরিষ্কার হবে। নখ কে সুস্থ রাখতে ভেতরের পুষ্টি খুব দরকার । সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন , আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গ সুস্থ রাখার জন্য পযাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। আমরা আজকাল [...]

Read more...

শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক দূর করুন সহজ ১০ টি উপায়ে!!

ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় অনেকেই ভুগে থাকেন। আমাদের শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগগুলো দেখা যায়। মূলত এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ যেন এক অসম্ভব কাজ। কিন্তু না, এখন আর অসম্ভব নয়। বরং খুব সম্ভব। কীভাবে জানতে চান? ১.  গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ২.  ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে। ৩.  প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন। ৪.  শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে। ৫.  ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে। ৬.  চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। ৭.  এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপওে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি। ৮.  ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৯.  এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর [...]

Read more...

মেকাপ তোলার সহজ পদ্ধতি!!

আগের রাতে পার্টি ছিলো। পার্টিতে অসাধারণ সেজে আপনি সবার নজর কেড়েছেন, অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন। তাই আনন্দচিত্তে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়লেন। কিন্তু পরদিন সকালে আয়নার সামনে দাড়িয়ে আপনার আনন্দ উধাও তো হলই, মনটাও খারাপ হয়ে গেল। কারন, মুখভর্তি ব্রণ উঠেছে। অনেকেই পার্টি মেকাপ নেয়ার পর এই ধরণের সমস্যায় ভোগেন। । অনেকেই হয়তো ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! মুখ ধোয়ার কথা আবার বলে দিতে …হয় না কি! তাদের জন্য বলছি আমরা হয়তো ঠিকই পার্টি থেকে ফিরে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুই, কিন্তু মেকাপ তোলার সঠিক নিয়ম না জানার জন্যে বিরক্তিকর ব্রণ যন্ত্রণায় পড়ি। চলুন জেনে নিই পার্টি মেকাপ তোলার সঠিক পদ্ধতিটি। প্রথম ধাপে ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। অনেকেই প্রথমে মেকাপ রিমুভার দিয়ে মেকাপ তোলার চেষ্টা করেন।কিন্তু মেকাপ রিমুভার ব্যাবহারের আগেই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নেয়াটাই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। দ্বিতীয় ধাপে তুলো তে মেকাপ রিমুভিং লোশন নিয়ে ধীরে ধীরে মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর আর এক টুকরো তুলো দিয়ে মাসাজ করে করে মুখের মেকাপ তুলে ফেলুন। চোখের মেকাপ তোলার জন্য যদি হাতের কাছে আলাদা করে আই মেকাপ রিমুভার না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি ভ্যাসলিন বা অন্য কোন পেট্রোলিয়াম জেলি তুলোতে নিয়ে চোখের মেকাপ তুলে নিতে পারেন। মেকাপ তোলার পর ত্বকে টোনার লাগান। টোনার ব্যাবহারের সময় লক্ষ রাখবেন টোনারটি যাতে অবশ্যই আপনার ত্বকের উপযোগী হয়। বিশেষত যাদের শুষ্ক ত্বক তাদের জন্য টোনার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হাতের কাছে টোনার না থাকলে এর পরিবর্তে শসার রসে মধু মিশিয়েও ব্যাবহার করতে পারেন। এবার চোখের চারপাশে আইক্রিম মাসাজ করে নিন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ত্বককে কালো ছোপ এবং ভাঁজ পড়ে যাওয়া থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। সবশেষে আপনার মুখে ত্বকের উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ক্রিম মাসাজ করুন। পার্টি থেকে কিংবা বাইরে থেকে ফিরে এসে ঘুমোতে যাবার আগে অতি অবশ্যই আপনার মুখ ভালোভাবে সঠিক পদ্ধতিতে পরিষ্কার করতে কিছুতেই ভুলে যাবেন না। অনেক সময় আমরা বাইরে থেকে ফিরে অলসতা করি অথবা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। কিন্তু এক্ষেত্রে যদি একটু সচেতন হই তাহলেই অবাঞ্ছিত ব্রণের হাত থেকে মুখের ত্বককে খুব সহজেই রক্ষা করতে পারি।

Read more...

সুন্দর ঠোঁটের সাজসজ্জা ও পরিচর্যা!!

ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখার ঠিক বাইরে আউট লাইন এঁকে নিবেন লিপ লাইনার বা লিপ ব্রাশের সাহায্যে। এখন গাঢ় রঙের লিপস্টিক আউট লাইন বরাবর সারা ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট অনেক ভরাট দেখাবে। সবশেষে লিপগ্লস ব্যবহার করে ঠোঁট বাড়তি চক্চকে করে নিন। পাতলা ছোট ঠোঁট ছোট-পাতলা ঠোঁট ভরাট ও বড় দেখানোর জন্য ঠোঁটের আসল সীমারেখা সামান্য বাড়িয়ে আউটলাইন এঁকে নিন। এবার গাড় বা হালকা রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করে নিন। দুই কোণ চাপা ভরাট ঠোঁট যাদের ঠোঁট এ ধরনের তারা আউট লাইন আঁকার সময় ঠোঁটের দুই কোণ বাড়িয়ে মানানসই আউট লাইন আঁকবেন। এ ধরনের ঠোঁটে সব সময় হালকা রঙের লিপস্টিক লাগালে ভাললাগে। ফোলা ঠোঁট যাদের ঠোঁট একটু ফোলা ধরনের তারা ঠোঁট মানানসই করার জন্য ঠোঁটের প্রকৃত সীমারেখা বরাবর ম্যাচিং শেড ব্যবহার করে আউট লাইন আঁকুন। এবার ওপরের ঠোঁট ও নিচের ঠোঁট ভরাট করুন যথাক্রমে হালকা ও গাঢ় রঙের লিপস্টিক দিয়ে। ফোলা ঠোঁট হলে লিপগ্লস না লাগানোই ভালো। তবে ফোলা ঠোঁট যদি মুখশ্রীর সাথে মানান সই হয় তা হলে শুধু মাত্র নিচের ঠোঁটে লিপগ্লস লাগাতে পারেন। ভরাট ঠোঁট ভরাট ঠোঁটের ক্ষেত্রে প্রকৃত সীমারেখা বরাবর বা সামান্য কমিয়ে আউট লাইন আঁকুন। ঠোঁটের দু’কোণায় আউটলাইন মেলাবেন না। সামান্য ফাঁক রাখবেন। এবার গাঢ় বা মাঝারি রঙের লিপস্টিকে ঠোঁট ভরাট করুন। ভরাট ঠোঁটে কখনো লিপগ্লস ব্যবহার করবেন না।প্রসারিত ঠোঁট প্রসারিত ঠোঁটের জন্য আউটলাইন আঁকুন হালকা রঙের লিপস্টিক লিপ-ব্রাশে নিয়ে বা হালকা রঙের লিপলাইনার ব্যবহার করে। দুই কোণায় সামান্য ফাঁক রাখবেন। যে রঙের লিপস্টিক দিয়েই ঠোঁট ভরাট করুন না কেন, তা ঠোঁটের মাঝের অংশে লাগান গভীর করে। আর দুই পাশে লাগান অপেক্ষাকৃত হালকা করে। এই হলো মোটামুটি ঠোঁটের মেকাপ। শেষ করার আগে যে কথাটি কথা না বললেই নয়, তা হলো লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কোনো ব্র্যান্ডেরই ব্যবহার করেন না কেন- এটি যেন আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল, চকচকে ও চেহারার সাথে মানানসই করে তুলে সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন।   ঠোঁটের পরিচর্যা  ঠোঁট হবে আকর্ষণীয়, এটাই সবার কাম্য। কিন্তু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় চামড়া ওঠা, ফাটাভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনও তেলগ্রন্থি’ থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা [...]

Read more...

নিখুঁত ত্বকের জন্য রাতে যে ২টি ফেসিয়াল মাস্ক ব্যবহার প্রয়োজন!!

কাঠ ফাটা রোদ আর একটু পরই বৃষ্টি। দুয়ে মিলে আবহাওয়া হয়ে উঠেছে অস্বস্তিকর। না ভালো করে গরম যাচ্ছে না একটু ঠাণ্ডা হচ্ছে পরিবেশ। এই সময়টায় ত্বক আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে চলতে যেয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। ত্বকের নানা সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা, কালো ছোপ দাগ ইত্যাদির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে সকলেই সমাধান খুঁজছেন। অনেকে ভরসা করেন বাজারের ত্বকের প্রোডাক্টের ওপর। কিন্তু কেমিক্যালে ভরপুর এই প্রোডাক্টগুলোর চাইতে ভরসা রাখুন প্রাকৃতিক জিনিসের ওপর। ঝলমলে উজ্জ্বল এবং সমস্যাবিহীন ত্বক পেতে সারাদিন শেষে রাতে একটু সময় বের করে নিন ত্বকের যত্ন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল রাতে ব্যবহারের ২ টি ফেসিয়াল মাস্ক যা দূর করবে ত্বকের সমস্যা। চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েলের ফেসিয়াল স্ক্রাব সব ধরনের ফেসিয়াল স্ক্রাবের মধ্যে এই স্ক্রাবটি সবথেকে ভালো। কারন এই স্ক্রাবটির উপাদান অনেক সহজলভ্য এবং প্রাকৃতিক বলে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এবং এর কার্যকারিতা অনেক বেশি। অলিভ অয়েল ত্বককে কোমল করে ও চিনি ত্বকের উপরিভাগের মরা কোষ দূর করে। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে আপনার লাগবে চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল। ২ চা চামচ চিনি, ১ চা চামচ লেবুর রস ও ২ চা চামচ অলিভ অয়েল নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি হাতের তালুতে নিয়ে মুখের ত্বকে হালকাভাবে ঘষে লাগান। মুখে এই মিশ্রণটি ১০ মিনিট রেখে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। ত্বকের উজ্জলতার পরিবর্তন আপনি নিজেই দেখতে পাবেন। কলা এবং দইয়ের ফেসিয়াল মাস্ক কলা খেতে যতটা সুস্বাদু ততোটাই উপকারি। কলা প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের কোমলতার জন্য একটি অসাধারন উপাদান। অন্যদিকে দই ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধিতে সব সময়ের জন্যই উপকারি। পদ্ধতিঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে ১ টি কলা, ১ চা চামচ মধু, ১ টেবিল চামচ দুধ ও ২ চা চামচ টকদই। প্রথমে একটি বাটিতে কলা নিয়ে চামচের মাধ্যমে ম্যাশ করুন। এরপর এতে ২ চা চামচ দই নিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর এতে মধু ও দুধ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার মিশ্রণটি আলতো ঘষে ত্বকে লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট এই মিশ্রণটি ত্বকে থাকতে দিন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে একটি পাতলা তোয়ালে দিয়ে পানি মুছে ফেলুন। [...]

Read more...

চুল পড়া রোধ করতে মেনে চলুন এই উপদেশগুলো!!

– গরম পানিতে গোসল ত্যাগ করা উচিত। – প্রচুর পানি পান করুন। – নিয়মিত ব্যায়াম করুন। – চুল ট্রিম করুন। – হেয়ার ম্যাসাজ করুন। – জেনেটিক, হরমোন পরিবর্তন বা মা হওয়ার পর চুল পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ভেজা চুলে চিরুনি দেবেন না। – গোড়া শক্ত করে সব সময় চুল বাঁধবেন না। – চুল পড়তে থাকলে চুলে তেল দেয়া বন্ধ করুন। – আয়রন ট্যাবলেট গ্রহণ করুন, সবুজ এবং হলুদ সবজি ও ফল বেশি করে খান। – প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিমের সাদা অংশ, ভেড়ার মাংস, সয়াবিন, পনির, দুধ এবং দই চুলের জন্য উপকারী। – চুলে হিট দিলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই হিট বন্ধ করুন। – সূর্যের তাপ পরিহার করুন। – মাথার চামড়ার ওপর নরম ম্যাসাজ চুলের গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়ায়, যা চুলের জন্য ভালো। – চুল অতিরিক্ত আঁচড়াবেন না। – চিকন হওয়ার জন্য অতিরিক্ত ডায়েট কন্ট্রোল চুলের জন্য ক্ষতিকর। – ধূমপান চুলের জন্যও ক্ষতিকর। – ভিটামিন সি, ই এবং বিটা ক্যারোটিন চুলের জন্য ভালো। – মেডিটেশন এবং যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমায়, যা চুলের জন্যও ভালো। – কুমড়োর বিচি ফাইটোস্ট্রোজেনের উৎস, যা চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। এক চা-চামচ করে সপ্তাহে তিন চামচ বেটে চুলে দিলে এক্ষেত্রে কার্যকর হবে। – কন্ডিশনার কেবল ত্বকের ওপর নয়, চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে ১ থেকে ২ মিনিট রেখে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। – চিরুনির ফাঁক হওয়া উচিত বড়। ঘন দাঁতওয়ালা চিরুনি ব্যবহার করা উচিত নয়। – কালারিং, সোজাকরণ ইত্যাদি একসঙ্গে করা উচিত নয়। – উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত জাঙ্ক ফুডে চুল শক্ত হলেও ভঙ্গুর হয়ে যায়। – চুলকে কিছু বিশ্রাম দেয়া উচিত। তাকে হাওয়ায় উড়তে দিন ইচ্ছামতো।

Read more...

মুখের কালো দাগ দূর এবং ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু ঘরোয়া উপায়…

“ত্বক ফর্সা করতে ফেয়ারনেস ক্রিম কতই তো ব্যবহার করলাম। কই কোনো তো কাজ হলো না।” এমন আফসোস শোনা যাই অনেকের মুখে। কিন্তু আমরা যদি ঘরে একটু সময় দিয়ে হারবাল উপায়ে ত্বকের সামান্য একটু যত্ন নি তাহলেই কিন্তু আমাদের ত্বক অনেক খানি সুন্দর হয়ে উঠবে। আজ আপনাদের জানাব সহজ ও ঘরওয়া পদ্ধতি তে ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করার কিছু টিপস: ✏ প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য মসুর ডালের বেসন, মধু ও সামান্য তিলের তেলের মিশ্রণ বেশ উপযোগী। রোদে পোড়া ভাবও দূর হবে। ✏ মধু, কাঁচা হলুদ, দুধ ও তিলের তেল চুলায় অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। আঠালো হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে ফ্রিজে রেখে দিন। বাইরে থেকে ফিরে প্রতিদিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ✏ বেসন-দই, লেবুর প্যাক: ২ চামচ আটা, মসুরির ডাল বাটা অথবা বেসন নিয়ে তার মধ্যে লেবুর রস মেশান৷ এবার ওর মধ্যে দই মিশিয়ে প্যাকটাকে গাঢ় করে নিন৷ মুখে, ঘাড়ে ভালো করে ঐ প্যাকটা লাগান৷ ২০ মিনিট রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন৷ এতে ত্বকের চমক বাড়বে৷ ✏ ত্বকের পোড়াভাব দূর করতে বাইরে থেকে ফিরে মুখে, গলায় ও হাতে টমেটোর রস লাগান। শুকিয়ে গেলে আরো একবার লাগান। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে রোদে পোড়া দাগ থাকবে না। ✏ পাতিলেবুর রস, নিমপাতার রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ✏ কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন। ✏ দই এবং ময়দা মিশিয়ে মাখলেও ত্বকের কালো ছোপ তুলতে সাহায্য করে কলা পেস্ট করে মধু মিশিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মুখের কালো দাগ দূর করার কিছু টিপস: ✏ মুখের কালো দাগ দূর করতে আপনি মধু , লেবু, গোলাপ ফুলের পাতা অনেক কার্যকর। এক সাপ্তাহের মাঝেই আপনি তার ফলাফল পাবেন। এই উপাদান গুলি আপনি পেস্ট করে এক সাপ্তাহ ফেইসে লাগাবেন দেখবেন অনেক ভাল লাগবে। ✏ একটি ডিমের কুসুমের সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল আর ৩ ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তারপর মুখে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে প্রথমে হালকা গরম পানি তারপর ঠাণ্ডা [...]

Read more...