Life Style Blog

রোজায় ডায়াবেটিস রোগীর করণীয় কি জেনে নিন!!

ডায়াবেটিসের রোগীরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ওষুধের নিখুঁত সময়সূচি ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলেন। তাই রমজান মাসে তাদের বেশ অসুবিধায় পড়তে হয়। কেননা অনিয়মের কারণে কখনও কখনও তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে কিংবা কমে যেতে পারে।। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের শরীরে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার মাত্রা বেড়ে যায়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকায় পানি শূন্যতাই এর মূল কারণ। ফলে শরীরের ব্লাড পেশার কমে গিয়ে অজ্ঞান হওয়া, পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়া, হাড় ভেঙে যাওয়াসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। কাজেই রোজা রাখার জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের পূর্ব-প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা দরকার। রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের করণীয় : রোজা রাখার জন্য শরীর উপযুক্ত কি না এটাই সর্বপ্রথম ডায়াবেটিস রোগীদের জেনে নেওয়া উচিত। শরীরে শর্করার মাত্রা খুবই অনিয়ন্ত্রিত হলে অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে মারাত্মক হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা শর্করাস্বল্পতা, কিটোঅ্যাসিডোসিস বা শর্করার মারাত্মক আধিক্য থাকলে রোজা রাখা উচিত নয়। ডায়াবেটিস ছাড়াও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা যেমন যকৃতের সমস্যা, হৃদরোগ ও কিডনি সমস্যায় আক্রান্ত হলেও রোজা না রাখাই ভালো। এই তালিকায় অবশ্য গর্ভবতী ডায়াবেটিস রোগী ও ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন এমন রোগীরাও পড়বেন। অন্যদের মধ্যে যারা কেবল খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমেই শর্করা নিয়ন্ত্রণ করছেন বা মেটফরমিন, ডিপিপি ৪ ইনহিবিটর বা গ্লিটাজন শ্রেণির ওষুধ খান তাদের রোজা রাখা বেশ নিরাপদ। যারা ইনসুলিন বা ওষুধ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। এক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই নতুন করে ওষুধের মাত্রা ও সময় জেনে নিতে হবে। খাদ্যাভ্যাস : রমজানে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্যালরির চাহিদা আগের মতোই থাকবে। শুধু খাবার গ্রহণ ও সময়ের কিছুটা পরিবর্তন হবে। ইফতারে বিকল্প চিনি দিয়ে ইসবগুলের ভুষি, তোকমা, লেবু কাঁচা আম বা তেঁতুল শরবত এসব রোগীদের জন্য উপকারী। ডাব ছাড়া অন্যান্য মিষ্টি ফলের রস না খাওয়াই ভালো। টক ও মিষ্টি উভয় ধরনের ফলের সালাদ খাওয়া যেতে পারে, এতে খনিজ লবণ ও ভিটামিনের অভাব পূরণ হবে। কাঁচা ছোলার সঙ্গে আদাকুচি, টমেটো কুচি, পুদিনা পাতা ও লবণের মিশ্রণ বেশ সুস্বাদু খাবার। কাঁচা ছোলা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। সন্ধ্যা রাতে (ইফতার পরবর্তী) খাবার একেবারে বাদ দেওয়া উচিত নয়। কম করে হলেও খেতে হবে। অন্য সময়ের রাতের খাবারের সমপরিমাণ হবে রমজানে ডায়াবেটিস রোগীর খাবার। রোগী [...]

Read more...

জীবাণুমুক্ত পরিবেশ শিশুদের ক্যান্সারের কারণ!

ক্যান্সার শুধু বয়স্ক মানুষেরই হয়, এমন ধারণা ভেঙে দিয়ে আজকাল বাচ্চাদেরও ক্যান্সারের খবর সংবাদমাধ্যমে আসছে। বিশেষ করে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার – বলা হয় প্রতি ২ হাজার শিশুর মধ্যে একজন এ ধরনের ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু শিশুদের ক্যান্সারের কারণ নিয়ে সম্প্রতি এমন একটি গবেষণা রিপোর্ট বেরিয়েছে যার বক্তব্য অত্যন্ত নাটকীয়। রিপোর্টটি আধুনিক যুগের অত্যন্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিশুদের বড় হবার সাথে ক্যান্সারের এক যোগসূত্র আবিষ্কার করেছে। যুক্তরাজ্যের একজন নেতৃস্থানীয় ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেল গ্রিভস বলছেন, আধুনিক যুগের ‘জীবাণুমুক্ত’ জীবন শিশুদের লিউকেমিয়া হবার একটি কারণ। ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চের এই বিজ্ঞানী বলছেন, ৩০ বছরের তথ্য-উপাত্ত পরীক্ষা করে দেখা যাচ্ছে, মানুষের দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার যদি শিশু বয়সে ‘যথেষ্ট পরিমানে জীবাণু মোকাবিলার অভিজ্ঞতা’ না হয়, তাহলে তা দেহে ক্যান্সার তৈরি করতে পারে। একিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া নামের যে ব্লাড ক্যান্সার – তা প্রধানত উন্নত এবং ধনী সমাজগুলোয় দেখা যায় – যার অর্থ হলো আধুনিক জীবনযাপনের সাথে এর একটা সম্পর্ক আছে। অতীতে ক্যান্সারের কারণ হিসেবে বিচিত্র সব তত্ত্ব দেয়া হয়েছে- যার মধ্যে বৈদ্যুতিক কেবল, তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ এবং রাসায়নিক পদার্থকে ক্যান্সার কারণ বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সবশেষ এই জরিপে এসব তত্ত্ব নাকচ করে দেয়া হয়। অধ্যাপক গ্রিভস বলছেন, এ গবেষণায় আমরা জোরালো আভাস পাচ্ছি যে লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়ার একটা বায়োলজিক্যাল কারণ আছে এবং কোন শিশুর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যদি সংক্রমণ মোকাবিলার জন্য যথাযথভাবে তৈরি না হয়ে থাকে – তাহলে তার দেহে লিউকেমিয়া দেখা দিতে পারে। দৃষ্টান্ত হিসেবে বলা হয়: ইতালির মিলানে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার পর সাতটি শিশুর লিউকেমিয়া দেখা দেয়। যেসব শিশু নার্সারিতে গেছে, বা যাদের বড় ভাই-বোন আছে – তাদের মধ্যে লিউকেমিয়ার হার কম। যে শিশুরা মায়ের বুকের দুধ খায় তা লিউকেমিয়া ঠেকাতে সহায়ক – কারণ এর ফলে অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। যে শিশুরা নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে তাদের মধ্যে লিউকেমিয়ার হার কম। কারণ তারা মায়ের দেহ থেকে অণুজীব পেয়েছে বেশি – যাদের সিজারিয়ান অপারেশনে জন্ম হয়েছে তাদের তুলনায়। যে প্রাণীরা মাইক্রোব বা অণুজীব-বিহীন পরিবেশে জন্ম নিয়েছে তাদের কোন কোন সংক্রমণ হলে তা লিউকেমিয়ার সৃষ্টি করেছে। প্রফেসর গ্রিভস বলছেন, এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিভাবকদের লিউকেমিয়ার জন্য দোষ দেয়া [...]

Read more...

চুল ঘনকালো ও লম্বা করুন প্রাকৃতিক উপায়ে!

বেশ কয়েক বছর আগেও দেখা যেত মেয়েরা এই মোটা বেণী করে বাইরে যাচ্ছে। আর আমাদের মা খালাদের তো সব সময়ই দেখে এসেছি লম্বা বেণীতে বা বিশাল খোঁপায় নিজেদের সাজাতে। কিন্তু সময় পাল্টেছে। চারিদিকের দূষণ, ব্যস্ত জীবন যাত্রায় যত্নের অভাব, নানা রকম চুলের সাজ করতে গিয়ে কেমিক্যালের ব্যবহার করতে করতে অনেকেই যে সমস্যায় পড়েছেন চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে। আগে হয়তো ঠিকই ঘন চুল ছিল, কিন্তু এখন আর নেই। অনেকের আবার কোন অসুস্থতার কারণে চুল পড়ে পাতলা হয়ে গিয়েছে। তাই চুল সাজাতে গেলেই এখন দরকার পড়ে আর্টিফিশিয়াল হেয়ার এর। অথবা কেউ কেউ আবার অনেক টাকা খরচ করে দামি শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ট্রাই করেই যাচ্ছেন, কিন্তু আশানুরুপ ফল পাচ্ছেন না। আজ তাই বলব বেশ কিছু জিনিসের কথা যেগুলো রয়েছে আপনার কাছেই, দাম ও সাধ্যের নাগালে সেই সাথে নেই কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।   (১) অ্যালোভেরা অ্যালোভেরার গুণের নেই কোন শেষ। চুলের যত্নে এটি অনেক বেশি কার্যকরী। ঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে এটি আপনাকে ফিরিয়ে দেবে ঘন ও উজ্জল চুল। এটি চুলের ত্বকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও ময়েশ্চার যোগায়। অ্যালোভেরার জেল বের করে সরাসরি চুলে লাগিয়ে নিন। এক ঘণ্টা সময় দিন শুকাতে। তারপরে শ্যাম্পু করে নিন। এটি হেয়ার ফল কন্ট্রোল করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে। সেই সাথে চুল ও হয়ে উঠবে উজ্জ্বল। নিয়মিত করলে লক্ষণীয় পরিবর্তন চোখে পড়বে অল্প কিছু দিনেই। (২) ডিম চুল ঘন করার পাশাপাশি আপনি যদি চুল লম্বা করতে চান তাহলে চুলের প্যাক হিসেবে ব্যবহার করুন ডিম। ডিমের এই প্যাক প্রোটিন ট্রিটমেনট হিসেবে কাজ করবে ও চুল করবে শক্ত। চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী একটি বা দুটি ডিম ভেঙে ফেটে নিয়ে চুলে লাগান। ডিমের গন্ধ বেশি খারাপ লাগলে, সাথে কোন একটা সুগন্ধি তেল মেশাতে পারেন। পুরো চুলে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ভালোভাবে শ্যাম্পু করুন। সপ্তাহে ২ বার করলে মাস খানেকের মধ্যেই চুলে লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে। (৩) মেথি চুলের যত্নে মেথির ব্যবহার অনেক পুরনো। রান্না ঘরেই পেয়ে যাবেন চুলের যত্নের এই অসাধারণ উপকরণ। মেথি একরাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে ভালোভাবে বেটে নিয়ে চুলের গোঁড়ায় লাগিয়ে রাখুন এক ঘণ্টার মত। তারপরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ঘন তো করবেই [...]

Read more...

ভালোবাসার সুখগুলো

আইরিশ অভিনেত্রী ম্যালানি ক্লার্ক বলেছিলেন, “আমরা কোনোভাবেই ভালোবাসার ওপর মূল্য নির্ধারণ করতে পারি না, কিন্তু ভালোবাসার জন্য দরকারি সব উপকরণের ওপর মূল্য নির্ধারণ করতেই হবে”। ভালোবাসা অনেক পবিত্র একটি অনুভূতি। স্বার্থসিদ্ধির জন্যও প্রেম করা উচিত নয়। প্রেম হচ্ছে পৃথিবীর মধুরতম সম্পর্ক যেখানে থাকবে না কোনো চাওয়া-পাওয়া, থাকবে না কোনো স্বার্থ, থাকবে শুধুই ভালোবাসা। যে কাউকেই ভালোবাসা যায়। ভালোবাসার প্রকারভেদ নিয়ে আরেকদিন না হয় লিখবো। আজ শুধু ভালোবাসার সুখগুলোই খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। আদতে যদিও ভালোবাসায় সুখের কোন সংজ্ঞাই হয়না, তেমনি ভালোবাসার সুখ খুঁজে বের করাটাও যথেষ্ট কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বিখ্যাত লেখক শরতচন্দ্র বলেছিলেন- সত্যিকারের ভালবাসার তার পাত্র বা পাত্রীকে সুস্থ্য ও সুখী দেখতে চায়। কারণ, শুধু ভালোবাসা এবং যত্ন দিয়েই মরুভূমিতেও ফুল ফোটানো যায়।   ভালবাসা তালাবদ্ধ হৃদয়ের দরজা মুহূর্তে খুলে দেয়।  এবং এটাই হলো ভালোবাসার আসল জোর। মন থেকেই কাউকে খুঁজুন এবং তাকেই বেছে নিন। যে কিনা আপনাকে পেয়ে গর্ব বোধ করে। আপনাকে হারানোর ভয়ে ভীত থাকে। আপনার ইচ্ছা গুলোকে পূরণ করার প্রচেষ্টায় থাকে। আপনাকে সম্মান করে আপনার যথেষ্ট যত্ন করে। আপনার না বলা অনেক কিছুই যেন সে বুঝে ফেলে। ছোট ছোট কারনে রাগ অভিমান আর ঝগড়া করে। আপনার দোষ, গুণ, ভালো, মন্দ লক্ষ্য করে। যে আপনার ভালো কে ভালো, এবং খারাপ কে খারাপ-নির্দ্বিধায় বলে ফেলে; সে সত্যিকার অর্থেই আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনাকে সে সুখী দেখতে চায়। লেখক নিমাই ভট্টাচার্য বলেছিলেন, সোনায় যেমন একটু পানি মিশিয়ে না নিলে গহনা মজবুত হয় না, সেইরকম ভালবাসার সঙ্গে একটু শ্রদ্ধা, ভক্তি না মিশালে সে ভালবাসাও দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সত্যিকারে ভালোবাসুন, আপনিও সুখী হবেন।   নিজে অসুখী হয়ে অন্যকে ভালোবেসে সুখী করা যায়না। কেউ আপনার জীবনে সুখ এনে দেবে ভেবে কারো সাথে প্রেমে জড়াবেন না। বরং আপনি কারো জীবনে সুখ এনে দেবেন ভেবে ভালোবাসুন। ভালোবাসা দেওয়ার জিনিস, নেওয়ার জিনিস নয়। ইংলিশ লেখক টেনিসন বলেছিলেন, “ভালবাসা যা দেয় তার চেয়ে বেশী কেড়ে নেয়।”  আপনি যদি ভালোবাসা দেওয়ার চেয়ে ভালোবাসা পাওয়াতে বেশি সুখ পান, তাহলে আপনি এখনো ভালোবাসার গভীরে যেতে পারেননি। গভীর ভালোবেসে যে সুখ পাওয়া যায় তার সাথে প্রায় অন্য কোনো সুখের তুলনা চলেনা! মার্কিন লেখক জর্জ চ্যাপম্যান এর কথায় “ভালোবাসা পাওয়ার চাইতে ভালোবাসা দেওয়াতেই [...]

Read more...

জেনে নিন কাজুবাদামের কিছু গুণাগুণ! কাজে লাগতে পারে আপনার

শুধুই স্বাদেই নয়, কাজুবাদামের গুণও রয়েছে অনেক। কাজু বাদামে বিভিন্ন ভিটামিন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, জিঙ্ক খনিজ উপাদান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাজুবাদামে ৩০.১৯ গ্রাম শর্করা, ১৮.২২ গ্রাম আমিষ, ৪৩.৮৫ গ্রাম চর্বি থাকে। যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। কাজু বাদামে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। জেনে নিন সেসব গুণাগুণ- ১. কাজুবাদামে প্রোয়ানথোসিয়ানিডিন ও উচ্চমাত্রার কপার রয়েছে, যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। ২. কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। যা আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ৩. কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। ৪. কাজুবাদামে কোলেস্টেরল থাকে না, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের হার্টের জন্য কাজুবাদাম খুবই উপকারী। ৫. কাজুবাদাম হজমের জন্য খুব উপকারী। ৬. কাজুতে থাকা জিংক ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। ৭. কাজুবাদাম অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৮. কাজুবাদামে থাকা কপার আমাদের চুলের রং কালো রাখতে সহায়তা করে। ৯. ভালো ঘুমেও সহায়তা করে।

Read more...

মেয়েরা কি চায়? জানেন না স্বয়ং মনোবিজ্ঞানীরাও!! জেনে নিন মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণা ফল।

একজন মেয়ে আসলে কি চায়? এমন প্রশ্নের উত্তর বোধকরি কোন মেয়েই দিতে পারবেনা। এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে যে কোন মেয়েই অপারগ। তবুও যারা এ প্রশ্নের উত্তর জানতে আগ্রহী তাদের কথা চিন্তা করেই এগিয়ে এসেছেন মনোবিজ্ঞানীগণ। নারীরা তাদের সঙ্গীর কাছ থেকে কেমন আশা করেন, এমনই পছন্দের ১২ টি গোপন বিষয় গবেষণায় উঠে এসেছে। । আসুন জেনে নিই কি সেই গোপন বিষয়গুলো- ১) প্রশংসা করুনঃ মেয়েরা তার সৌন্দর্যের প্রশংসা সুনতে পছন্দ করে; তাই সে যদি নতুন কোন পোশাক পরে, চুল কাটে কিংবা কোনধরনের সাজসজ্জা করে তবে তাকে সুন্দর লাগছে এ কথাটি বারবার বলুন। সবচেয়ে ভাল হয় সে আপনাকে জিজ্ঞেস করার আগেই তার প্রশংসা করলে কারন, এতেকরে তার প্রতি আপনার আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা মেয়েদের অত্যন্ত পছন্দ। ২) মুখোমুখি বসে কথা বলুনঃ মেয়েরা সাধারনত পাশাপাশি বসার চাইতে মুখোমুখি বসতে পচ্ছন্দ করে। মেয়েরা চায় তার সঙ্গী তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুক। ৩) নাটকীয় রোমান্টিকতাঃ সম্পর্ক যত নতুন কিংবা পুরাতনই হোক না কেন, মেয়েরা সবসময়ই রোমান্টিকতা পছন্দ করে। ফুল, মোমবাতির আলোয় ডিনার, দুয়েক লাইন কবিতা ইত্যাদি নাটকীয় রোমান্টিকতা মেয়েরা সাধারনত খুব পছন্দ করে। ৪) সৌজন্য বোধঃ আদিকাল থেকেই পুরুষের সৌজন্য বোধ নারীকে আকৃষ্ট করে। একজন বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানীর মতে নারীরা কায়িক ভাবে যথেষ্ট সক্ষম, যেমন একটি চেয়ার টেনে বসা কিংবা দরজা ঠেলে ভেতরে ঢোকা ইত্যাদি কাজ সে অনায়াসেই করতে পারে তবে সৌজন্য প্রকাশ করে তার জন্য এ কাজগুলো কেও করলে সেটি তার ভালোলাগার স্থানে যথেষ্ট নাড়া দেয়। এছাড়া সম্পর্কের শুরুতে কিংবা রোমান্সের বেলায় পুরুষের অগ্রবর্তী ভূমিকাই নারীরা প্রত্যাশা করে। ৫) সংবেদনশীলতাঃ সংবেদনশীল পুরুষ সবসময়ই মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করে। বিশেষকরে বিপর্যস্ত বা দুঃখের সময়ে সংবেদনশীলতা প্রকাশ করে খুব সহজেই তাদের নিকটে পৌঁছা যায়। যেমন, কান্নার সময় একটি টিস্যু পেপার এগিয়ে দেয়া, একটুখানি পাশে বসা কিংবা হাত বুলিয়ে দেয়া ইত্যাদি ছোটছোট কাজও অনেক চমকপ্রদ ফলাফল বয়ে আনতে পারে। ৬) পোশাক পরিচ্ছদঃ স্টাইল সময়ের সাথে পাল্টায় কিন্তু একজন পুরুষ তার ব্যক্তিত্বের সাথে মানানসই পোশাক পরিচ্ছদে কতটুকু যত্নবান বা সচেতন তা নারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এছাড়া একজন নারীর পছন্দ মোতাবেক পোশাক পরিচ্ছদ করেও তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব। ৭) লাল রঙঃ মেয়েদের অবচেতন মন পর্যালোচনা করে মনোবিজ্ঞানীগণ এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে লাল রঙের প্রতি মেয়েদের একধরনের আগ্রহের অনুভূতি কাজ [...]

Read more...

এই শীতকালে শরীরের যত্নে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা!

হেমন্তের শেষ হতে না হতে চলে এসেছে শীতের আগমনী বার্তা। আর ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে নানা রকমের রোগও ভর করে শরীরজুড়ে। শীতকাল এলেই সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, জ্বরভাব ইত্যাদি দেখা দিয়ে থাকে। তাই শীতে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতার। চলুন তাহলে জেনে নিই শীতে করণীয় কিছু বিষয়- ১. শীত এলে ঠাণ্ডা লাগার উপসর্গ দেখা দেয়। এর ফলে গলা খুসখুস করে, নাক বন্ধ হয়ে থাকে, ঘুম নষ্ট হয়। এর সাথে জ্বর না হলে ঘরে বসে নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারেন। এ সময় সবচেয়ে উপকারী হলো হালকা গরম জল পান করা আর বিশ্রাম নেয়া। ২. এসময় ঠাণ্ডা লাগার ফলে নাক বন্ধ হয়ে যায়। এমনটা হলে একটা বড় পাত্রে ফুটন্ত জল ঢেলে, তারপর মুখ নিচু করে সেই জলের ভাপ নিতে হবে কয়েক মিনিট। পুরো ভাপটি যাতে ঠিকমতো পাওয়া যায়, সেজন্য বড় একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে নিতে হবে। দিনে কয়েকবার এভাবে ভাপ নিতে হবে। ৩. সর্দি, কাশি বা সামান্য গলাব্যথা এমন কোনো বড় সমস্যা নয়। তবে একবার ঠাণ্ডা লাগলে, তা সারতে অন্তত এক সপ্তাহ লাগবেই। কাশির জন্য সকালে ১ চামচ আদার রসের তুলনা নেই, তবে সামান্য মধু বা চিনি মিশিয়ে নেবেন। ৪. ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু সংক্রমণ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে এবং শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত ফল এবং সবজি খাওয়া উচিত। শরীরের জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক। ফল এবং সবজি তা পূরণ করতে পারে। ৫. ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ামুক্ত থাকতে নিয়মিত লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে। বাচ্চাদেরও নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। এর জন্য আলাদাভাবে নতুন কিছুর প্রয়োজন নেই। বাজারে উন্নতমানের যে লিকুইড হ্যান্ডওয়াশ রয়েছে তা ব্যবহার করলেই হবে।

Read more...

নিজেকে সুন্দর রাখতে চান? জেনে নিন সহজ উপায়!!

মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যর পূজারী। সৌন্দর্য আমাদের ব্যক্তি জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমি সুন্দর এই কথাটি চিন্তা করতে কার না ভালো লাগে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্যই আমাদের সৌন্দর্য টিপসগুলো কাজে লাগবে আশা করি। আসুন জেনে নেই নিজেকে সুন্দর রাখার সহজ উপায়গুলো। টিপস ০১ : শসার রসের সাথে কর্ণফ্লাওআর বা লাল আটা মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যাবহার করতে পারেন। বিশেষ করে গলা ও মুখে ব্যাবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা দারুন বাড়বে। টিপস ০২ : আমলকী খেলে মুখের রুচি বাড়ে, চুল পড়া বন্ধ হয় এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ে। আর আমলকীর গুঁড়া ও তিলের তেল মিশিয়ে মুখে লাগালে যেমন শুষ্ক ত্বক কোমল হবে তেমনি ত্বক ফর্সাও করবে। আবার চুলে আমলকীর রস ১ ঘণ্টা লাগিয়ে ধুয়ে ফেললে চুলের অকালপক্বতা দূর হবে। টিপস ০৩ : কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন। চলে যাবে ।  টিপস ০৪ : প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়? ব্যাপার না, নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস নিয়মিত দুই কোঁয়া করে কমলালেবু খান।  টিপস ০৫ : – মেথি বাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ৩০ মিনিট লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করুন। – ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগান।- অতিরিক্ত খুশকি কমাতে মাথায় তেল দেওয়া কিছুদিন বন্ধ রাখুন। অ্যান্টিড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে এক দিন পর পর চুল পরিষ্কার করুন। – টক দই ও মেহেদি বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে। সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন।

Read more...

গরুর মাংস!! জেনে নিন এর সুফল ও কুফল।

গরুর মাংস অতি শক্তিশালী ও পুষ্টিকর একটি খাবার। গরুর মাংস অনেক স্বাদের এবং অনেকের কাছেই খুব প্রিয়। গরুর মাংস স্বাদে অতুলনীয় এবং পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে যে কোনো খাবারই সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করতে হয়। এই খাদ্যের মধ্যে মজুদ পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বিভিন্ন উপকারে আসে। তবে পুষ্টি উপাদান বেশি হওয়ার ফলে অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। এবং বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ চিহ্নিত হওয়ায় খাবারটি প্রিয় হলেও অনেকে এড়িয়েও চলেন। তাই চলুন, জেনে নিই এই খাদ্যের সুফল ও কুফলগুলো। সুফলঃ   পুষ্টি :  গরুর মাংস প্রোটিনজাতীয় খাদ্যের অন্তর্ভুক্ত। প্রাণী থেকে সংগৃহীত হয় বলে এটি প্রাণিজ প্রোটিন। প্রোটিন ছাড়া আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান গরুর মাংসে বিদ্যমান। প্রোটিন : গরুর মাংস থেকে উচ্চমাত্রায় প্রোটিন পাওয়া যায়। মাংস ছাড়াও হাড়, কলিজা, মগজ ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন চলে আসে। গরুর মাংসের প্রোটিন থেকে যে অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়, তা হাড় ও মাংসপেশির কাজে অনেক সাহায্য করে থাকে। ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। ফ্যাট : গরুর মাংসে অনেক সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। ফ্যাটের উপস্থিতির জন্য গরুর মাংস অনেক মজাদার হয়ে থাকে। কচি মাংসে এই ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম গরুর মাংসে ফ্যাট রয়েছে ২.৬ গ্রাম। মিনারেলস : এক টুকরো গরুর মাংসে অনেক ধরনের মিনারেল পাওয়া যায়। বিশেষ করে জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও কপার। এই মিনারেলগুলো শরীরের অনেক প্রয়োজনীয় কাজ করে থাকে। জিংক আমাদের শরীরের কোষ রক্ষণাবেক্ষণ এবং রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে থাকে। বলা হয় তিন আউন্স পরিমাণ গরুর মাংস দৈনিক জিংকের ৩৯% চাহিদা পূরণ করে থাকে। জিংক : যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফসফরাস : যা মজবুত হাড় ও দাঁতের জন্য জরুরি। আয়রন : যা রক্তস্বল্পতা দূরীকরণ এবং শরীরের সব কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সাহায্য করে। ভিটামিন : গরুর মাংসে অনেক রকম ভিটামিন থাকে, বিশেষ করে বি১২ বি৬ রিবোফ্ল্যাবিন ও বি১২-এর প্রয়োজনীয়তা অনেক, মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের মতে, দৈনিক ২.৪ মিলিগ্রাম বি১২ লাগে। তিন আউন্স গরুর মাংস বি১২-এর দৈনিক ৩৭% চাহিদা পূরণ করতে পারে। তিন আউন্স গরুর মাংস ফসফরাস, ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, জিংক ও সেলেনিয়ামের খুবই ভালো উৎস। তিন আউন্স [...]

Read more...

নখের যত্নে ঘরোয়া কিছু টিপস

আমাদের হাত ও পায়ের সৌন্দর্যের এক অন্যতম অংশ নখ। সুন্দর নখ হাতকে যেমন করে আকর্ষনীয় তেমন পা’কে করে মনকাড়া। পরিচ্ছন্ন নখ শুধু হাত-পায়ের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না। একইসঙ্গে এটি ব্যক্তিত্বও তুলে ধরে। ঝাঁ তকতকে, ঝকঝকে, আকর্ষনীয়, সুন্দর নখ কার না পছন্দ। নারীদের জন্য হাতের নখের সৌন্দর্য রক্ষা করা একটু কঠিন। নখ সুন্দর রাখতে পানির ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ভাল। কিন্তু নারীদের প্রায় সব কাজেই পানির ছোঁয়া আছে। একটু ইচ্ছা এবং সচেতন থাকলেই সম্ভব নখের যত্ন নেওয়া। সময় কিংবা অর্থের কারণে যারা পার্লারে গিয়ে নখের পরিচর্চা করতে পারেন না তারা ঘরে বসেই নিতে পারেন যত্ন।  তাই আসুন জেনে নেই নখের যত্নের কিছু করণীয়। বাড়িতে যেসব উপকরণ আছে সেসব উপকরণ দিয়ে সেরে নিতে পারেন মিনিকিওর পেডিকিওর। প্রথমে আপনি হালকা কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ, সামান্য শ্যাম্পু, ও লেবুর রস দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন হাত ও পায়ের নখ। এরপর যেকোনো ব্রাশ দিয়ে নখ গুলো ঘুষে নিন। ঠাণ্ডা  পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর নেইল কাটার দিয়ে আপনার পছন্দ মত সাইজ করে নখ কেটে নিন। তবে নখ সমান করে কাটুন কারন উচু নিচু করে কাটা নখ সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। এরপর যেকোনো ময়শ্চারাইজিং লোশন দিয়ে ম্যাসাস করুন ৫ মিনিট । এতে আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়বে। এক সপ্তাহের বেশি নখে নেইল পলিস রাখবেন না।নেইল পলিস উঠাতে কোন ধারালো কিছু ব্যবহার করবেন না। সেক্ষেত্রে রিমুভার ব্যবহার করেন। অন্তত ৩-৪ দিন ব্যবধানে নখে নেইল পলিস ব্যবহার করুন। নেইল পলিস ব্যবহারে সচেতন হউন।অতিরিক্ত নেইল পলিস ও রিমুভার আপনার নখ গুলো কে ড্রাই করে এবং নখের প্রাকৃতিক কালার নষ্ট করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নখে অলিভ অয়েল ও ভেসলিন লাগিয়ে ঘুমান। এতে আপনার নখ শক্ত হবে এবং নখের হলুদ ভাব দূর হবে। দাঁত দিয়ে অনেকের নখ কাটার অভ্যাস থাকে। এটি অবশ্যই ত্যাগ করুন। অনেক সময় সবজি কাটতে হাতে কালো দাগ হয়। সেক্ষেত্রে কাটা লেবু ঘুসুন , এমনি পরিষ্কার হবে। নখ কে সুস্থ রাখতে ভেতরের পুষ্টি খুব দরকার । সেজন্য ভিটামিন বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন , আয়রন যুক্ত খাবার খেতে হবে। প্রচুর পরিমানে পানি খেতে হবে। শরীরের প্রতিটি অঙ্গ সুস্থ রাখার জন্য পযাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। আমরা আজকাল [...]

Read more...